চট্টগ্রামে অতি বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে মাত্রাতিরিক্ত পলি আসছে কর্ণফূলী ও হালদা নদীতে

0

চট্টগ্রামে অতি বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে মাত্রাতিরিক্ত পলি আসছে কর্ণফূলী ও হালদা নদীতে। পানিতে কাদার পরিমান বেড়ে যাওয়ায় পরিশোধন সক্ষমতা কমে গেছে চট্টগ্রাম ওয়াসার দুটি পানি শোধনাগারে। এতে সংকট দেখা দিয়েছে নগরে। ওয়াসা বলছে, বৃষ্টিপাত কমলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সংকটকালীন সময়ে নগরবাসীকে বৃষ্টির পানি ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প পানির সংস্থান চট্টগ্রাম ওয়াসার আছে, তাই কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে সাময়িক এই সংকটের প্রভাব নগরবাসী টের পাবে না।

গেল ৬ দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে চট্টগ্রামে। নগরে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা আর পাহাড়ের কাদা, মাটি, বালি বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে এভাবেই নদীতে গিয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত। ফলে নদীর পানিতে বালি-কাদার পরিমাণ বাড়ছে। একই সঙ্গে ময়লা আবর্জনা মিলেমিশে এক রকম ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে উঠেছে নদীর পানি।

কর্ণফূলী আর হালদা নদীর পানি দিয়েই বন্দর নগরীর ৬০ লাখ মানুষের পানির চাহিদা মেটায় চট্টগ্রাম ওয়াসা। কিন্তু এই দুই নদীর পানিতেই বালি-কাদার পরিমান বেড়ে গেছে অস্বাভাবিকভাবে। স্বাভাবিক সময়ে পনিতে বালি-কাদার পরিমান ৪০ থেকে ৫০ টার্বিটেডি থাকলেও এখন তা ১২ শো ছাড়িয়েছে। এতে দৈনিক ৩৬ কোটি লিটার পানি পরিশোধন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পানি শোধণাগারের সক্ষমতা অর্ধেকে নেমে এসেছে।

আর বিশেষজ্ঞরা বলছে, ডিপ টিউবয়েলসহ বিকল্প পানির ব্যবস্থা চট্টগ্রাম ওয়াসার আছে। তাই কর্তৃপক্ষ একটু আন্তরিক হলে সাময়িক এই সংকটের প্রভাব নগরবাসীর ওপর পড়বে না। সাধারণত বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পরও কয়েকদিন পর্যন্ত পাহাড়ি ঢল নামতে থাকে।তাই খুব সহসায় চট্টগ্রাম ওয়াসার সারফেস ওয়াটারের সংকট নিরসন হচ্ছে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন