গেল বছর ৩১ লাখ কন্টেইনার আর ১০ কোটি টন খোলা পণ্য হ্যাণ্ডলিং

0

সক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার করে গেল বছর ৩১ লাখ কন্টেইনার আর ১০ কোটি টন খোলা পণ্য হ্যাণ্ডলিং করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। বন্দর ব্যবহারকারিরা বলছেন, খুব শিগগিরি বে-টার্মিনাল অপারেশনে না এলে, চলতি বছরেই উর্দ্ধমুখী আমদানী রপ্তানী বাণিজ্যের চাপ সামলাতে হোচট খাবে দেশের সবচেয়ে বড় এই অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানটি। আর বন্দর চেয়ারম্যান বলছেন, অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশসহ পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালকে দ্রুত অপারেশনে এনে চাপ সামাল দেয়ার চেষ্টা চলছে।

চ্যানেলে গভীরতা কম থাকায় মাদার ভেসেল ঢুকতে না পারা, বন্দরের ভেতরে কন্টেইনার রাখার জায়গার স্বল্পতা, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবের পরও ২০১৯ সালে ৩১ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে থ্রী মিলিয়নস ক্লাবে প্রবেশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। একই সময়ে ১০ লাখ টন খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং করে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রবৃদ্ধির হিসেবে যা, ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

২০১৩ সালের সমীক্ষা বলছে, প্রবৃদ্ধির এই হার ঠিক থাকলে ২০৪৩ সালে ১৪ মিলিয়ন টিউস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করতে হবে চট্টগ্রাম বন্দরকে। সঙ্গে যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে ট্রান্সশিপমেন্ট প্রকল্পও। তাই নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই সেই লক্ষ্য অতিক্রম করবে। কিন্তু তার জন্য তেমন কোন প্রস্তুতি নেই চট্টগ্রাম বন্দরের। বিষয়টি স্বীকারও করলেন বন্দর চেয়ারম্যান।

তবে বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, উন্নত দেশের আদলে পরিকল্পিতভাবে অপারেশনাল কাজ চালালে বর্তমান অবকাঠামোতেই অনেক বেশী সক্ষমতা বাড়াতে পারবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিজিএমইএ বলছে, আমদানী রপ্তানী বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বে-টার্মিনাল প্রকল্পের বিকল্প নেই। বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করলেও প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী নেতারা।

অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে, এমনটাই দেখার অপেক্ষায় বন্দর ব্যবহারকারীরা। পোর্ট জিবি

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন