গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে ২ ইসরায়েলি সেনা নিহত
- আপডেট সময় : ০৩:৪১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে নিজেদেরই একটি ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর ভুলে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
আইডিএফের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উত্তর গাজার একটি সামরিক অবস্থানের ভেতরে সেনাবাহিনীর একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়। পরে কয়েকজন সেনা ড্রোনটি পরীক্ষা করতে কাছে গেলে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুই সেনা নিহত হন।
নিহত দুই সেনার পরিচয়
ইসরায়েলি দৈনিক ‘মারিভ’ নিহত সেনাদের পরিচয় প্রকাশ করেছে। তারা হলেন ২৩ বছর বয়সী রিজার্ভ সার্জেন্ট ওফেক মালাম এবং ২৪ বছর বয়সী রিজার্ভ সার্জেন্ট নাদাভ কেইলি।
তাদের মৃত্যুর ঘটনাটি নিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একই ধরনের ড্রোনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
কীভাবে ঘটল বিস্ফোরণ
আনাদোলুর প্রতিবেদনে ‘মারিভ’-এর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, উত্তর গাজায় ১৬তম ব্রিগেডের সেনারা একটি ড্রোন পরিচালনা করছিলেন। পরে অস্পষ্ট কোনো কারণে ড্রোনটি ইসরায়েলি সামরিক অবস্থানের ভেতরে বিধ্বস্ত হয়।
এরপর সেনারা ড্রোনটির অবস্থা পরীক্ষা করতে কাছে যান। সেই সময় ড্রোনটিতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং দুই সেনা নিহত হন।
ঘটনাটিকে ইসরায়েলি বাহিনী ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে ড্রোনটি কেন সামরিক অবস্থানের ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছিল এবং বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ কী, তা তদন্তের মাধ্যমে জানার চেষ্টা চলছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সংঘাত
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত একটি পরিকল্পনার আওতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সেখানে সহিংসতা ও সামরিক অভিযান নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হয়। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, সংঘাতে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের বড় অংশ নারী ও শিশু বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

























