ক্রেতা শূন্যতায় সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে লোকসানের শঙ্কা

0

কোরবানীর ঈদকে সমানে রেখে শেষ মহুর্তের বেচা কেনায় জমে উঠেছে রাজধানীর শুরু হাটগুলো। এদিন বড় গুরুর তুলনায় ছোট এবং মাঝারি সাইজের গরুগুলোর চাহিদা ছিল চোখে পড়ার মতো। আর খামারীদের অভিযোগ, বড় গরুর ক্রেতা শূন্যতায় সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে লোকসানের শঙ্কা। একই অভিযোগ ছিল- ছাগল ব্যবসায়ীদের কণ্ঠেও।

স্বাবলম্বী হওয়া স্বপ্ন যখন দু: স্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায়; তখন আদরের প্রিয় গরুটিকে ধরে এভাবেই কাঁদতে থাকেন নাটোরের কামরুল হাসান। বাবার কান্না দেখে ছোট্ট শিশু সুমনের চোখেও নামে নোনা জলের স্রোত। কুমারখালীর এই খামারী তার ২২ মণ ওজনের গরুটির নাম রেখেছেন লালন। লালন পালনে সাড়ে ৪ লাখ টাকা খরচ হলেও ক্রেতারা দাম হাঁকাচ্ছেন মাত্র আড়াই লাখ।

কামরুলের মত একই অবস্থা কুষ্টিয়া থেকে আসা লিটনের। নেপালী ষাড় দুটোর মূল্য সাড়ে তিন লাখ হলেও নেই কোন ক্রেতা।

ক্রেতা সংকটের একই অবস্থা দেখা গেলো ছাগলের হাটেও। অধিকাংশ খামারীর চোখে মুখে ছিল একরাশ হতাশা ও ক্ষোভ।

এদিন রাজধানীর আফতাব নগর গরুর হাটে বড় গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা ছিল বেশি। শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় পার করেন ক্রেতা-বিক্রেতার। আর যাচাই-বাছাই শেষে পছন্দের পশুটি কিনতে পারার তৃপ্তি ছিল ক্রেতাদের চোখে মুখে।

হাট ব্যবস্থাপনা এবং বেচাকেনা নিয়ে সন্তুষ্টি ছিলো কর্তৃপক্ষের কণ্ঠে। পচ্ছন্দের পশু কেনা শেষে যাদের বাড়ি কাছে তারা হেটে এবং যাদেরটা দূরে তারা ট্রাকে করেই রওনা দেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন