কোচের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মিসরের ফুটবল ক্যাম্প ছাড়লেন মোহামেদ সালাহ!
- আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৬১ বার পড়া হয়েছে
২০২৭ আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের (আফকন) বাছাইপর্বে অ্যাঙ্গোলার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর মিসরের ড্রেসিংরুমে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কোচের সিদ্ধান্তে ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের অধিনায়ক ও তারকা ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহ। পরবর্তীতে কাউকেই না জানিয়ে তিনি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে গেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
কৌশলগত পরিবর্তন নাকি বিতর্ক? অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে মোহামেদ সালাহকে মাঠ থেকে তুলে নেন মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। কোচের দাবি, দলের কৌশলগত (ট্যাকটিক্যাল) উন্নতির স্বার্থেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তবে কোনো ধরনের চোট না থাকা সত্ত্বেও এভাবে তাকে মাঠ থেকে বসিয়ে দেওয়া মেনে নিতে পারেননি সালাহ। ম্যাচ চলাকালীন এবং পরবর্তীতে ড্রেসিংরুমে সালাহের অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কাউকে না জানিয়ে ক্যাম্প ত্যাগ সালাহের মিসরীয় ক্রীড়া সাংবাদিক আহমেদ আব্দেল বাসেতের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মাঠের এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ হন সালাহ। নতুন করে বড় কোনো বিতর্কে যেন জড়াতে না হয়, সে কারণেই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ না খুলে কাউকে কিছু না জানিয়েই হুট করে জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেন তিনি।
ইএফএ-র ব্যাখ্যা: চোট এড়াতে বিশ্রাম তবে সালাহের ক্যাম্প ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন বা বিতর্কের সঙ্গে একমত নয় মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। পুরো ঘটনাটি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে এক বিজ্ঞপ্তিতে ইএফএ জানায়, সালাহকে পরবর্তী ‘দক্ষিণ সুদান’ ম্যাচ থেকে মূলত বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।
ইএফএ-র দাবি অনুযায়ী, দক্ষিণ সুদানের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলা হবে কৃত্রিম ঘাসের টার্ফে (আর্টিফিশিয়াল টার্ফ), যেখানে খেলার অভিজ্ঞতা ও চোটের ঝুঁকি বিবেচনা করে সালাহকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইএফএ আরও জানায়, সালাহের সার্বিক সুরক্ষার কথা ভেবে অ্যাঙ্গোলা ম্যাচের আগেই কোচিং স্টাফ ও সালাহের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল এবং দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই তাকে দক্ষিণ সুদান ম্যাচের দল থেকে বাইরে রাখা হয়েছে।


























