কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামে

0

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামে। এতে ভয়াবহ গ্যাস সংকটে পড়েছে বন্দর নগরী। শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন এমনকি আবাসিক লাইনেও গ্যাসের চাপ নেই বললেই চলে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানাসহ চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে গ্যাসের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কায় উদ্বেগ জানিয়ে সংকট সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার। আর, কর্ণফূলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড বলছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অন্তত ১০ দিন লাগবে।

তিন দিন ধরে চট্টগ্রামের প্রতিটি সিএনজি স্টেশনের সামনে যানবাহনের এমন দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। গ্যাসের অভাবে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যাও কমে গেছে। আবাসিক এলাকায় দিনে ঘন্টাখানেক গ্যাস থাকলেও তাতে চুলা জ্বলছে না। ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

চট্টগ্রামের গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কেজিডিসিএল বলছে, সাব-সী তে কারিগরি ত্রুটির কারনে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। স্বাভাবিক হতে আরো অন্তত ১০ দিন লাগবে।

জাতীয় গ্রীডের সাথে এলএনজি যুক্ত হওয়ার মাত্র আড়াই মাসের মাথায় এমন বিপর্যয়ের জন্য, সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতাকে দুষছেন সুজন সম্পাদক। আর চট্টগ্রাম চেম্বার বলছে দ্রুত সংকট সমাধান না হলে অপূরনীয় ক্ষতি হবে ব্যবসা-বাণিজ্যে।

দৈনিক ৫’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে চট্টগ্রামে। এলএনজি যুক্ত হবার পর দৈনিক প্রায় চার’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেয়েছে বন্দর নগরী। হঠাৎ করে এলএনজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রীড থেকে সর্বোচ্চ দু’শ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের যোগান দিতে পারছে কেজিডিসিএল। এছাড়া গ্যাস ভিক্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংকটেরও আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন