এবার শুস্ক মৌসুমেও সিরাজগঞ্জের চৌহালীর এনায়েতপুরে যমুনা নদীর ভাঙণ শুরু হয়েছে

0

এবার শুস্ক মৌসুমেও সিরাজগঞ্জের চৌহালীর এনায়েতপুরে যমুনা নদীর ভাঙণ শুরু হয়েছে। ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ও নানা স্থাপনার পাশপাশি ব্রাক্ষনগ্রামের নদীর তীরে জিও টেক্স দিয়ে তৈরী সংরক্ষিত এলাকার দুটি স্থানে দুইশ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে আতংক দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এবং শেষের দিকে ভাঙ্গনের পর, এবার শুস্ক মৌসুমেও ২ সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীর পশ্চিম তীরের চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুরের ব্রাক্ষনগ্রাম হয়ে পাচিল পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। ইতিমধ্যে আরকান্দি, বাঐখোলা, পাঁচিল, খুকনী, জালালপুর, পাকরতলা, ঘাটাবাড়ি, ভেকা এলাকার কয়েক’শ একর ফসলি জমিসহ অর্ধশতাধিক বাড়িঘর, মসজিদসহ অন্যান্য স্থাপনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

প্রতিরক্ষায় কোন ব্যবস্থা না থাকায় নদীর তীরে জিও টেক্স দিয়ে তৈরী সংরক্ষিত এলাকার দুটি স্থানে দুইশ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তসহ নতুন করে নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে আতংক বিরাজ করছে।

শুস্ক মৌসুমেও ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় হুমকীর মুখে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনষ্টিটিউট, এনায়েতপুর কাপড়ের হাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ক্ষতিগ্রস্থদের পাশাপশি ভাঙ্গরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, এনায়েতপুরসহ আশপাশের ভাঙ্গরোধে সাড়ে ৬ কিলোমিটার যমুনা নদী তীর রক্ষা প্রকল্পের জন্য ৭শ ৯০ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরী করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যমুনার ভাঙ্গন থেকে তাঁত সমৃদ্ধ এলাকাসহ অন্যন্য স্থাপনা রক্ষায় সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন