০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের আশপাশে তিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পথে ইউএসএস রুজভেল্ট

ওই মার্কিন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রুজভেল্ট তার স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো ঘাঁটি ছেড়েছে। রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।

এ ছাড়া মাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও সোমবার সান ডিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ইউনিটটির সঙ্গে দুই হাজারের বেশি মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

নভেম্বরের শেষ নাগাদ বড় সামরিক উপস্থিতি

মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট অবস্থান নেবে।

এই ধরনের সামরিক শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে একত্রিত করা হলে ইরানকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সামনে বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিকল্প তৈরি হবে বলেও ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন।

তবে এসব সামরিক ইউনিট মোতায়েনের অর্থ কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই মোতায়েন

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর মার্কিন পরিকল্পনা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। তবে নতুন করে রণতরী ও সামরিক ইউনিট মোতায়েনের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইরানের আশপাশে তিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১২:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পথে ইউএসএস রুজভেল্ট

ওই মার্কিন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রুজভেল্ট তার স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো ঘাঁটি ছেড়েছে। রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।

এ ছাড়া মাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও সোমবার সান ডিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ইউনিটটির সঙ্গে দুই হাজারের বেশি মার্কিন মেরিন সেনা রয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

নভেম্বরের শেষ নাগাদ বড় সামরিক উপস্থিতি

মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি উভচর অবতরণকারী সামরিক ইউনিট অবস্থান নেবে।

এই ধরনের সামরিক শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে একত্রিত করা হলে ইরানকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সামনে বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিকল্প তৈরি হবে বলেও ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন।

তবে এসব সামরিক ইউনিট মোতায়েনের অর্থ কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই মোতায়েন

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগও চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর মার্কিন পরিকল্পনা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। তবে নতুন করে রণতরী ও সামরিক ইউনিট মোতায়েনের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: আল-জাজিরা