আমদানি শুল্ক কমানোর প্রভাব পড়েনি চাল বাজারে

0

আমদানি শুল্ক কমানোর খুব একটা প্রভাব পড়েনি, চট্টগ্রামের চাল বাজারে। বস্তাপ্রতি ৩শ’ থেকে ৫’শ টাকা কমার কথা থাকলেও– কমেছে মাত্র একশ’ থেকে দেড়শ’ টাকা। এরিমধ্যে বাংলাদেশে আমদানি চাহিদা বাড়ায়, দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন, ভারত ও মিয়ানমারের ব্যাবসায়ীরা। ফলে দাম কমার আর সম্ভাবনা দেখছেন না আড়তদারা। এছাড়া ভারত থেকে আসা চালের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি চাল বাজার চাক্তাই ও পাহাড়তলী। রোজার সময় হঠাৎ করে সারাদেশের সঙ্গে এই বাজার দুটিও অস্থির হয়ে ওঠে। লাগাম টানতে আমদানিশুল্ক কমানোর দাবি তোলেন ব্যবসায়ীরা। একপর্যায়ে গত ২৩ জুন ২৮ ভাগ শুল্ক মাত্র ১০ ভাগে নামিয়ে আনে সরকার। ঈদের পর বিপুল পরিমান চাল আমদানি হলেও খুবএকটা প্রভাব পড়েনি বাজারে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশে শুল্ক কমানোর খবরে ভারত ও মিয়ানমারের বাজারে মঙ্গলবার থেকে টনপ্রতি ৩৫ থেকে ৪০ ডলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সেখানকার ব্যবসায়ীরা। ফলে বাংলাদেশে আর দাম কমার আর সম্ভাবনা দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।

আমদানী করা চাল থেকে বাংলাদেশে উৎপাদিত চালের মান অনেক উন্নত। বড় বড় কিছু ব্যবসায়ী ও উত্তরবঙ্গের মিলারদের ওপর সরকারি নজরদারি বাড়ানো হলে এতটা সংকট হতো না- দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের। চট্টগ্রামের বাজারে ৫০ কেজির প্রতিবস্তা আতপ চাল পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৫০ টাকায়, বেতি ১৯’শ, আটাশ ২ হাজার ১৫০, মিনিকেট ২ হাজার ৩৫০ থেকে ২ হাজার ৫’শ, জিরাশাইল ২ হাজার ৬’শ ও স্বর্ণা ২ হাজার ৩’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন

3 × four =

Test