আবিরের রঙে রঙিন হয়েছে পুরান ঢাকার মানুষ

0

আবিরের রঙে রঙিন হয়েছে পুরান ঢাকার মানুষ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে অন্যরাও। ভেদাভেদ ভুলে দেশ ও দশের শান্তি আর সৃষ্টির মঙ্গলকামনা করেন হোলি উৎসবে মেতে ওঠা পুরান ঢাকাবাসী। তবে এ বছর সাউন্ডবক্স ব্যবহারে কড়াকড়ি ও বহিরাগতদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞায় ভীড় ভাট্টা ছিলো কম। আয়োজকরা বলছেন, অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতেই পুলিশের সহায়তায় উৎসবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে।

আবিরের রঙে রঙীন হোক সবার জীবন। তাই হোলির রঙে মেতেছে সব বয়সের মানুষ। লাল, নীল, সবুজ, হলুদ রঙে চারপাশ রঙিন। গানের তালে তালে একে অন্যের সাথে সে রং ভাগ করে নেয়া। সব মিলিয়ে পুরান ঢাকার শাখারি বাজার ও তাঁতীঁ বাজার পরিণত হয় রঙিন উৎসবের নগরীতে। শিশু-বৃদ্ধ, তরুণ-তরুণী নির্বিশেষে হোলির আনন্দে মেতেছে সব ক’টা অলি-গলিতে। প্রকৃতির আলো ছাড়ানোর সাথেই নানা বয়সী ছেলেমেয়ে বালতি আর পিচকারী হাতে নেমে পড়ে রাস্তায়। কেউবা বেলকনি থেকেই রঙ ছাড়াচ্ছে উৎসবে মেতে ওঠা তরুণ তরুণীদের ওপর। উৎসবে যোগ দেন বিদেশী নাগরিকরাও।

হোলি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হলেও, রঙের খেলায় যোগ দিয়েছেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অনেকে। যদিও গত বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবারের আয়োজনে। সকালে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় হোলি উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ধর্মীয় শাস্ত্র মতে, ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দোলযাত্রা উদযাপন করা হয়। এ দিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল উৎসবের শুরু।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন