আজ বিশ্ব পানি দিবস

0

আজ বিশ্ব পানি দিবস। দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ে ঝিরি-ঝর্ণা। সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে প্রকৃতি। একসময় সারা বছর পানি থাকতো পাহাড়ে ঝিরি-ঝর্ণায়। কিন্তু বর্তমানে শুকিয়ে গেছে প্রায় সবগুলো। অন্যদিকে, জীবনমুখী নিরাপদ পানির নানা স্লোগান দিয়ে বরগুনায় বিক্রি হচ্ছে অনিরাপদ পানি। বরগুনায় পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেই বৈধ অনুমোদন।

স্থানীয়ভাবে বলা হয় ঝিরি-ঝর্ণা বা ছড়া। এভাবে পাহাড়ে ভাঁজে ভাঁজে বয়ে যাওয়া এসব ঝর্ণায় একসময় পানি থাকতো সারা বছর। তখন সবুজ পাহাড় যেন হয়ে উঠে সৌন্দর্যের রাজ্য। যা প্রকৃতি প্রেমিদের মুগ্ধ না করে পারে না। আর উঁচুনিঁচু পথ বেয়ে একসময় সেখান থেকে পানি সংগ্রহ করে চলতো পাহাড়িদের জীবন। কিন্তু সেদিন আর নেই। বর্ষা মৌসুম ছাড়া এখন আর পানি থাকে না।

অনেকরে মতে, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও বন থেকে গাছ উজাড় হওয়ায় ঝিরি ও ছড়ায় পানি সংকট দেখা দিয়েছে। অপরিকল্পিত চাষাবাদ পদ্ধতিও অনেকাংশে দায়ী বলছেন কেউ কেউ। এদিকে, বরগুনায় পিপাসা ড্রিংকিং ওয়াটার, ইনসাফ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, মুন ড্রিংকিং ওয়াটার ও তৃপ্তি মিনারেল ড্রিংকিং ওয়াটার নামের চারটি পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বরগুনা শহর ও এর আশে পাশের এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ করছে। কিন্তু পানি উৎপাদন ও সরবরাহকারী এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর কারোরই নেই বৈধ কাগজপত্র। নেই মান নিয়ন্ত্রণের কোন ব্যবস্থা।

বরগুনার বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট, অফিস ও বাসাবাড়িতে নিরাপদ পানি হিসেবে এসব অনিরাপদ পানি পান করছে বরগুনাবাসী। যারা সুপেয় পানির নামে অনিরাপদ পানি বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক। পানিবাহিত রোগ থেকে রক্ষাসহ সবার জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার দাবি সবার।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন