অত্যধিক ইন্টারনেট ব্যবহারে শিশুদের মাঝে ডিজিটাল অ্যাডিকশন বাড়ছে

0

করোনার লকডাউনে স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা ল্যাপটপে অত্যধিক ইন্টারনেট ব্যবহার, শিশুদের মাঝে ডিজিটাল অ্যাডিকশন তৈরী করছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের মানসিক বিকাশ ও শারীরিক সক্ষমতা। আশঙ্কাজনক এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার। এসএ টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, কিশোর বয়সে কেউ যেন ভার্চুয়াল জগতের অন্ধকার পথে আসক্ত না হয়, সেজন্যও সতর্ক থাকতে হবে অভিভাবকদের। আর অনলাইন ব্যবহারটি হতে হবে সীমিত এবং সবার সামনে।

ক্লাস টিচারের রোল কলে সাড়া দেয়া, স্কুল মাঠে সহপাঠিদের সঙ্গে খেলা কিংবা ছুটির ঘন্টা বাজলেই অভিবাবকদের সঙ্গে করে বাড়ী ফেরা, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এসব আজ শুধুই স্মৃতি।

লকডাউনে বাসা থেকে যখন বের হওয়া মানা, তখন অবসরের অধিকাংশ সময়টাই অনলাইন গেমসে পার করছে দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

আর চাকুরীজীবী বাবা মার কর্ম ব্যস্ততার সুযোগে ল্যাপটপের ভিডিও গেমসই হয়ে ওঠে অনেক শিশুদের একমাত্র সঙ্গী। ফলে ভার্চুয়ালের কৃত্রিম জগতে বন্ধী হয়ে আছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবন।

মনরোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, অনলাইনের অতিরিক্ত ব্যবহার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে তৈরী করছে ডিজিটাল অ্যাডিকশন।

অনলাইনে চলে অনেক মিথ্যা প্রচারণা, তাই ভুল পথে পরিচালিত হবার শঙ্কা রয়েছে বলেও জানান এই মানসিক বিশেষজ্ঞ।

বর্তমান বাস্তবতা মেনে পরিস্থিতি উত্তোরণে করণীয় সম্পর্কেও কথা বলেন তিনি।

ঘরোয়া খেলাধুলো এবং সৃজনশীল কাজে শিশু কিশোরদের ব্যস্ত রাখার পরামর্শও দেন এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন