০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালান, দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৬৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান এ আবেদন করেন।

এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন। তবে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে সে তথ্য পাওয়া যায়নি।

৬৭৮ কোটি টাকার স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচার অভিযোগ

মামলার অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং অর্থপাচারের বিষয়টি। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সংক্রান্ত লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্বর্ণ ও হীরার মতো মূল্যবান পণ্যের অবৈধ আমদানি, কেনাবেচা কিংবা আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের উৎস, অর্থের ব্যবহার এবং ব্যবসায়িক নথিপত্র খতিয়ে দেখা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এ মামলাতেও অভিযোগের প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ, কথিত লেনদেনের পৃথক হিসাব এবং কোন প্রক্রিয়ায় অর্থপাচার হয়েছে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে অভিযোগের সব দিক নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে সিআইডির আবেদন

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হাসান মঙ্গলবার আদালতে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তদন্তের প্রয়োজনে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আদালতের।

সাধারণত এ ধরনের আর্থিক অপরাধের মামলায় তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের নথি, ব্যবসায়িক হিসাব এবং অন্য সংশ্লিষ্ট তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য যাচাই করে থাকেন। তবে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডি নির্দিষ্টভাবে কোন কোন বিষয় জানতে চাইছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আদালতের শুনানির দিকে নজর

রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে আদালত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা ও উপস্থাপিত তথ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন। রিমান্ড মঞ্জুর হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পাবে তদন্ত সংস্থা। আর আবেদন মঞ্জুর না হলে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলবে।

এদিকে, প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে কতটা স্পষ্ট হয়, তা পরবর্তী সময়ে জানা যাবে। মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে দায় নির্ধারিত হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত করা মানেই আদালতে তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালান, দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান এ আবেদন করেন।

এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলামের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন। তবে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে সে তথ্য পাওয়া যায়নি।

৬৭৮ কোটি টাকার স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচার অভিযোগ

মামলার অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চোরাচালানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং অর্থপাচারের বিষয়টি। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সংক্রান্ত লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্বর্ণ ও হীরার মতো মূল্যবান পণ্যের অবৈধ আমদানি, কেনাবেচা কিংবা আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের উৎস, অর্থের ব্যবহার এবং ব্যবসায়িক নথিপত্র খতিয়ে দেখা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এ মামলাতেও অভিযোগের প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে মামলার অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ, কথিত লেনদেনের পৃথক হিসাব এবং কোন প্রক্রিয়ায় অর্থপাচার হয়েছে—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগে অভিযোগের সব দিক নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে সিআইডির আবেদন

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হাসান মঙ্গলবার আদালতে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তদন্তের প্রয়োজনে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত আদালতের।

সাধারণত এ ধরনের আর্থিক অপরাধের মামলায় তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের নথি, ব্যবসায়িক হিসাব এবং অন্য সংশ্লিষ্ট তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য যাচাই করে থাকেন। তবে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদে সিআইডি নির্দিষ্টভাবে কোন কোন বিষয় জানতে চাইছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আদালতের শুনানির দিকে নজর

রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে আদালত তদন্তের প্রয়োজনীয়তা ও উপস্থাপিত তথ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন। রিমান্ড মঞ্জুর হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পাবে তদন্ত সংস্থা। আর আবেদন মঞ্জুর না হলে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলবে।

এদিকে, প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও হীরা কেনাবেচা এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে কতটা স্পষ্ট হয়, তা পরবর্তী সময়ে জানা যাবে। মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে দায় নির্ধারিত হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত করা মানেই আদালতে তার অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।