০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় ৪১ ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে ৪১টি ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে প্রয়োজনীয় নথি, হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে সংস্থাটি।

৪১ ব্যাংকের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য

মামলার তদন্তকে এগিয়ে নিতে ৪১টি ব্যাংকের কাছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিএসআর তহবিলের অর্থ বরাদ্দ, অর্থ ছাড়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব, লেনদেনের বিবরণ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকতে পারে।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে অভিযোগে উল্লিখিত ২৭৬ কোটি টাকার সঙ্গে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিলের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করবেন।

এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট হিসাবের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর বা ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা আসামি

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে আসামি করা হয়েছে।

এ মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় ব্যাংকের সিএসআর তহবিলের অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ওই অর্থের কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে দুদক।

সিএসআর তহবিলের লেনদেন যাচাই

ব্যাংকের সিএসআর তহবিল সাধারণত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক কল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। তাই মামলার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যাংকগুলোর নথি ও লেনদেনের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দুদকের চিঠির পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো চাওয়া তথ্য ও নথি সরবরাহ করবে। এরপর এসব নথি বিশ্লেষণ করে অর্থের উৎস, বরাদ্দ, ছাড় এবং ব্যবহারের প্রক্রিয়া যাচাই করা হবে।

তদন্তে কোনো অর্থ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে গেছে কি না, গেলে কী উদ্দেশ্যে গেছে এবং সেই লেনদেনের সঙ্গে মামলায় করা অভিযোগের সম্পর্ক রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হতে পারে।

তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও নথির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যাংকিং লেনদেনের নথি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্য, হিসাব ও অন্যান্য নথি পর্যালোচনার পর দুদকের তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় ৪১ ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে দুদক

আপডেট সময় : ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে ৪১টি ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে প্রয়োজনীয় নথি, হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে সিএসআর তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে সংস্থাটি।

৪১ ব্যাংকের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য

মামলার তদন্তকে এগিয়ে নিতে ৪১টি ব্যাংকের কাছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিএসআর তহবিলের অর্থ বরাদ্দ, অর্থ ছাড়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব, লেনদেনের বিবরণ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকতে পারে।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে অভিযোগে উল্লিখিত ২৭৬ কোটি টাকার সঙ্গে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিলের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করবেন।

এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট হিসাবের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর বা ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা আসামি

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে আসামি করা হয়েছে।

এ মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় ব্যাংকের সিএসআর তহবিলের অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সঙ্গে ওই অর্থের কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে দুদক।

সিএসআর তহবিলের লেনদেন যাচাই

ব্যাংকের সিএসআর তহবিল সাধারণত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক কল্যাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। তাই মামলার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যাংকগুলোর নথি ও লেনদেনের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দুদকের চিঠির পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো চাওয়া তথ্য ও নথি সরবরাহ করবে। এরপর এসব নথি বিশ্লেষণ করে অর্থের উৎস, বরাদ্দ, ছাড় এবং ব্যবহারের প্রক্রিয়া যাচাই করা হবে।

তদন্তে কোনো অর্থ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে গেছে কি না, গেলে কী উদ্দেশ্যে গেছে এবং সেই লেনদেনের সঙ্গে মামলায় করা অভিযোগের সম্পর্ক রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হতে পারে।

তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদক সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও নথির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ব্যাংকিং লেনদেনের নথি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্য, হিসাব ও অন্যান্য নথি পর্যালোচনার পর দুদকের তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।