সচেতনতা ও প্রতিরোধে কমবে জলাতঙ্কে মৃত্যু: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
সচেতনতা বৃদ্ধি ও যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, রোগ হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণের চেয়ে আগেভাগে রোগ প্রতিরোধ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টিকাদান ও সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ হওয়ার পর দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে জলাতঙ্ক সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে বেশি সচেতনতা রয়েছে। তবে প্রান্তিক পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতা এখনও কম। ফলে এসব এলাকায় জলাতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়।
এ কারণে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে আগের মতো সারা দেশে কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণ ও জনস্বার্থকে সামনে রেখেই সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মানুষ এখন খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা প্রাণীটি রোগমুক্ত ও নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও সচেতন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সরাসরি জড়িত। তাই প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশের প্রান্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রাণীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কৃষক ও খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে আরও বেশি সেমিনার, প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি মাঠে কর্মরত কর্মকর্তাদের তদারকিও বাড়াতে হবে।
তার মতে, এসব কার্যক্রম জোরদার করা গেলে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল আমিন।
























