০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুল্ক নিয়ে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশকে রেখেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ। ফলে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ ও ওষুধের উপাদান রপ্তানিতে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলকে শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধার আওতায় রাখার তথ্য ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে।

যেসব ওষুধে শুল্ক লাগবে না

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সব ধরনের ওষুধ শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকবে। একই সুবিধা থাকবে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, সেল থেরাপি, জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটসের (এডিসি) ক্ষেত্রে।

এ ছাড়া প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকবে। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানও নির্দিষ্ট শর্তে শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ১৯ দেশ

বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে। দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তির কারণে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের ঘোষণার বাস্তবায়ন

এর আগে গত ২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা ওষুধ, বায়োলজিকস এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্রে এসব পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোই ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারার আওতায় ওষুধ ও ওষুধের উপাদান আমদানিতে পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে এই শুল্ক ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। তালিকাভুক্ত অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে তা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

জেনেরিক ওষুধে শুল্ক থাকছে না

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জেনেরিক ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারায় আরোপিত ওষুধের শুল্কের আওতায় পড়বে না।

এ ছাড়া মূল ঘোষণায় কিছু কারিগরি সংশোধন আনা হয়েছে। ‘জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞায় পরিবর্তন করে পেটেন্টবিহীন প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা পণ্যকে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞাও পরিষ্কার করা হয়েছে। এতে প্রস্তুত করা ওষুধ, ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সক্রিয় উপাদান এবং সক্রিয় উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শুল্ক নিয়ে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১২:১৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশকে রেখেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ। ফলে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ ও ওষুধের উপাদান রপ্তানিতে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর নতুন শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চলকে শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধার আওতায় রাখার তথ্য ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে।

যেসব ওষুধে শুল্ক লাগবে না

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিরল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সব ধরনের ওষুধ শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকবে। একই সুবিধা থাকবে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, সেল থেরাপি, জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটসের (এডিসি) ক্ষেত্রে।

এ ছাড়া প্রাণীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকবে। এসব ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট উপাদানও নির্দিষ্ট শর্তে শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ১৯ দেশ

বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ভারত, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে। দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তির কারণে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্পের ঘোষণার বাস্তবায়ন

এর আগে গত ২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা ওষুধ, বায়োলজিকস এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্রে এসব পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোই ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারার আওতায় ওষুধ ও ওষুধের উপাদান আমদানিতে পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে এই শুল্ক ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। তালিকাভুক্ত অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে তা ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

জেনেরিক ওষুধে শুল্ক থাকছে না

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জেনেরিক ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারায় আরোপিত ওষুধের শুল্কের আওতায় পড়বে না।

এ ছাড়া মূল ঘোষণায় কিছু কারিগরি সংশোধন আনা হয়েছে। ‘জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞায় পরিবর্তন করে পেটেন্টবিহীন প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা পণ্যকে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞাও পরিষ্কার করা হয়েছে। এতে প্রস্তুত করা ওষুধ, ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সক্রিয় উপাদান এবং সক্রিয় উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।