০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ ঠেকাতে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কক্সবাজারের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের অধীনে এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালীতে সেনা ক্যাম্প

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেনা ক্যাম্প স্থাপনের ফলে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং অপরাধ কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতর ও বাইরে মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একজন ডিআইজি নেতৃত্ব দেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

জরুরি পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি বা সীমান্তে কোনো জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের অধীনে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর পাশাপাশি ক্যাম্পে সাধারণ অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে।

তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সম্প্রতি এপিবিএনের আইনগত কাঠামোয় তদন্তের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, এপিবিএনে প্রায় ৪০০ সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘটিত অপরাধের তদন্তে এপিবিএন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

ফেন্সিং, সৌর লাইট ও সিসিটিভি স্থাপন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফেন্সিং বা কাঁটাতার পুনর্নির্মাণ করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

এ ছাড়া কিছু দূর পরপর সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হবে।

দ্রুত প্রত্যাবাসনের আশা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি আলাদা উচ্চপর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে তারা বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় সংকট আরও জটিল হয়েছে। দ্রুত এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক কারাগার স্থাপনের কোনো প্রস্তাব তার জানা নেই বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতীয় কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা

এর আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং রোহিঙ্গা রিফিউজি রিলিফ অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েশন কমিশনারের (আরআরআরসি) প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

জঙ্গল সলিমপুর নিয়েও একাধিক সিদ্ধান্ত

বৈঠক শেষে জঙ্গল সলিমপুরের পরিস্থিতি নিয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সরকারি জমি ও পাহাড়কে সুশাসনের আওতায় আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।

এ এলাকায় সারদার আদলে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য জমি দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের জন্য ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এটি বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে স্থানান্তর করা হবে।

এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধভাবে বসতি স্থাপনকারীদের পুনর্বাসন এবং সেখানে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুর একসময় সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য ছিল। এখন এলাকাটিকে সুশাসন ও শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‍্যাব ও এপিবিএনের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জায়গা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ ঠেকাতে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কক্সবাজারের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের অধীনে এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালীতে সেনা ক্যাম্প

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালী পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা ঘটে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেনা ক্যাম্প স্থাপনের ফলে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং অপরাধ কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতর ও বাইরে মাদক, অস্ত্র, মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একজন ডিআইজি নেতৃত্ব দেন। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

জরুরি পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি বা সীমান্তে কোনো জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের অধীনে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর পাশাপাশি ক্যাম্পে সাধারণ অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে।

তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সম্প্রতি এপিবিএনের আইনগত কাঠামোয় তদন্তের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, এপিবিএনে প্রায় ৪০০ সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়ের কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘটিত অপরাধের তদন্তে এপিবিএন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

ফেন্সিং, সৌর লাইট ও সিসিটিভি স্থাপন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফেন্সিং বা কাঁটাতার পুনর্নির্মাণ করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

এ ছাড়া কিছু দূর পরপর সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি কন্ট্রোল টাওয়ার ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হবে।

দ্রুত প্রত্যাবাসনের আশা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি আলাদা উচ্চপর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে তারা বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় সংকট আরও জটিল হয়েছে। দ্রুত এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক কারাগার স্থাপনের কোনো প্রস্তাব তার জানা নেই বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতীয় কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা

এর আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং রোহিঙ্গা রিফিউজি রিলিফ অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েশন কমিশনারের (আরআরআরসি) প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

জঙ্গল সলিমপুর নিয়েও একাধিক সিদ্ধান্ত

বৈঠক শেষে জঙ্গল সলিমপুরের পরিস্থিতি নিয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সরকারি জমি ও পাহাড়কে সুশাসনের আওতায় আনতে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।

এ এলাকায় সারদার আদলে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য জমি দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের জন্য ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এটি বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে স্থানান্তর করা হবে।

এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে অবৈধভাবে বসতি স্থাপনকারীদের পুনর্বাসন এবং সেখানে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুর একসময় সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য ছিল। এখন এলাকাটিকে সুশাসন ও শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‍্যাব ও এপিবিএনের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জায়গা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করবে।