রাসেল ভাইপার দংশন, বোতলবন্দি সাপ নিয়ে হাসপাতালে হাজির
- আপডেট সময় : ১২:৫১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
চাঁদপুরের হাইমচরে রাসেল ভাইপারের দংশনে আক্রান্ত ৫ বছরের শিশু মরিয়মকে কোলে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যান তার বাবা মনির হোসেন। শুধু সন্তানকে নিয়েই নয়, দংশন করা সাপটিকেও একটি বোতলে বন্দি করে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু মরিয়ম হাইমচর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল নীলকমল ইউনিয়নের শেখকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেনের ছোট মেয়ে।
বাড়ি ফেরার পথে রাসেল ভাইপারের দংশন
শিশুটির বাবা মনির হোসেন জানান, বাড়ির সামনে খেলাধুলা শেষে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ একটি রাসেল ভাইপারের বাচ্চা মরিয়মের পায়ে দংশন করে। ঘটনার পর তিনি সময় নষ্ট না করে দ্রুত সাপটিকে খুঁজতে বের হন।
পরে বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে দংশন করা সাপটিকে খুঁজে বের করে একটি বোতলের মধ্যে বন্দি করেন তিনি। এরপর এক হাতে মেয়েকে এবং অন্য হাতে বোতলবন্দি সাপ নিয়ে প্রথমে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
সেখান থেকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দ্রুত চিকিৎসায় দেওয়া হয় অ্যান্টিভেনম
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা দ্রুত শিশুটির চিকিৎসা শুরু করেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি মরিয়মকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এনামুল হক জানান, শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসায় চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে সাপের দংশনের পর ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট না করায় ঝুঁকি মোকাবিলা করা সহজ হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে মরিয়মকে অন্তত ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, বিষধর সাপের দংশনের পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি। এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তিকে ওঝা বা কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।





















