মোহাম্মদপুরের শীর্ষ গ্যাং লিডার আরমান গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শীর্ষ গ্যাং লিডার হিসেবে পরিচিত আরমানকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, আরমান-শাহরুখ গ্রুপের অন্যতম সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-২-এর একটি বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নায়মুল হাসান আরমানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হত্যা মামলায় আসামি আরমান
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, সম্প্রতি কেরানীগঞ্জে পাটালি গ্রুপের গ্যাং লিডার ফরহাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আরমান আসামি। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তদন্ত চলছে।
এসআরবি সূত্র আরও জানায়, রায়েরবাজার এলাকায় এলেক্স ইমন গ্রুপের ইমনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার মামলাতেও আরমানের নাম রয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ভূমিকা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া মোহাম্মদপুর থানায় আরমানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব মামলার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার অস্ত্র ও চাপাতি
এসআরবি-২-এর কর্মকর্তারা জানান, আরমানকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি কেরানীগঞ্জে পাটালি গ্রুপের ফরহাদকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাং-সংক্রান্ত অপরাধ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরমান-শাহরুখ গ্রুপের সদস্য
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, আরমান আরমান-শাহরুখ গ্রুপের অন্যতম সদস্য। মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকায় গ্যাং-সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনায় এই গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ওঠে।
আরমানের গ্রেপ্তারের পর তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য সদস্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চলবে আইনগত প্রক্রিয়া
এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আরমানের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে হাজির করা হবে এবং তদন্তের প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, রাজধানীতে কিশোর ও তরুণদের নিয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজন ও মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
























