০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদ্রাসায় অনিয়ম-জালিয়াতি: ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শৃঙ্খলাভঙ্গ, সহকর্মীকে মারধর, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ এবং সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগে ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পৃথক প্রজ্ঞাপন ও কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে সংশ্লিষ্টদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তন, বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেছেন।

এ ঘটনায় ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমকেও শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনায় তার যোগসাজশ এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ

কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার নিয়োগে বিধি লঙ্ঘন হয়েছিল কি না, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।

অন্যদিকে, নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ কারণে প্রথম এমপিওভুক্তি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ

একই মাদ্রাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়েছে, তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাল নিবন্ধন সনদে এমপিও

এদিকে, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।

আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ

নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের জবাব পাওয়ার পর নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এরপর অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এবং তদন্তের তথ্য বিবেচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাদ্রাসায় অনিয়ম-জালিয়াতি: ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

আপডেট সময় : ১২:২৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শৃঙ্খলাভঙ্গ, সহকর্মীকে মারধর, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার, বিধিবহির্ভূত নিয়োগ এবং সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগে ১০ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পৃথক প্রজ্ঞাপন ও কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে সংশ্লিষ্টদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তন, বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী খাইরুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি খাইরুল ইসলামকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেছেন।

এ ঘটনায় ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহ আলমকেও শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনায় তার যোগসাজশ এবং দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগ

কুমিল্লার দাউদকান্দি মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেনের নিয়োগের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার এমপিও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার নিয়োগে বিধি লঙ্ঘন হয়েছিল কি না, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর।

অন্যদিকে, নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নিয়োগ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে তার নিয়োগ তৎকালীন এমপিও জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ কারণে প্রথম এমপিওভুক্তি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার এমপিও বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ

একই মাদ্রাসার প্রভাষক হোসাইন আহমেদের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সরকারি কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়েছে, তদন্তে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার এমপিও স্থগিতের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাল নিবন্ধন সনদে এমপিও

এদিকে, জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের নিবন্ধন সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর ইনডেক্স কর্তনের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার বিবাদীয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের ১৬তম নিবন্ধন এবং একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক লুৎফুন নাহারের ১৩তম নিবন্ধন সনদ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সনদ ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাদের এমপিও ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহের ত্রিশালের বীররামপুর জান্নাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী প্রধান শামিমা নাছরিনের ৬ষ্ঠ শিক্ষক নিবন্ধন সনদও ভুয়া হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলে এনটিআরসিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, নোটিশে তা জানতে চেয়েছে অধিদপ্তর।

আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ

নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের জবাব পাওয়ার পর নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

এরপর অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এবং তদন্তের তথ্য বিবেচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।