০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগে মাইক্রোসফটসহ আটটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন ও আগে জমা দেওয়া পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (পিইআরএম) আবেদন অনুমোদনের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস ও ক্যাপজেমিনি।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি এবং বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ তৈরির প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করছে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মূল্যবান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট দেশীয় কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করছে। তাঁর দাবি, অন্য কোনো মার্কিন কোম্পানি মাইক্রোসফটের মতো এই ব্যবস্থার এত বেশি অপব্যবহার করেনি।

ছাঁটাই ও ভিসার আবেদন নিয়ে বিতর্ক

ভ্যান্সের দাবি, মাইক্রোসফট একই সময়ে প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে এবং ছয় হাজার ৮০০টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন করেছে। তাঁর মতে, এ ঘটনা দেশীয় কর্মীদের বদলে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রবণতা তুলে ধরে।

তবে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানিটির অধিকাংশ কর্মীই মার্কিন নাগরিক। গত অর্থবছরে জমা দেওয়া এইচ-১বি ভিসার আবেদনের প্রায় ৮০ শতাংশই আগে থেকে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল, নতুন নিয়োগের জন্য নয়।

মুখপাত্র আরও বলেন, এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে নিয়োগ করা আন্তর্জাতিক কর্মীদের একই পর্যায়ের মার্কিন কর্মীদের সমপর্যায়ের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

প্রযুক্তি খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এলিসের তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফটে একজন এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীর গড় বেতন প্রায় এক লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার।

এইচ-১বি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া

এইচ-১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ দেয়। প্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অ্যামাজন, গুগল, মেটা, অ্যাপল ও এনভিডিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানও এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে।

অন্যদিকে, পিইআরএম কর্মসূচি বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাধারণত এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মীরা পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগ পান।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং বলেন, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভিসা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। তাঁর অভিযোগ, এতে মার্কিন কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভ্যান্স আরও বলেন, কোনো বিদেশি কর্মীকে স্পনসর করা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাঁটাই করা হলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার বৈধতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে কর্মীরা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পেতে পারেন। তবে এই সময়সীমা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে গত মাসে মার্কিন প্রশাসনের উদ্যোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে পদক পেলেন সত্য নাদেলা

এদিকে, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য একটি পদক গ্রহণ করেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা।

অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নাদেলার প্রশংসা করেন এবং তাঁকে পদক দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করার কথা জানান। অনুষ্ঠানে ইলন মাস্ক, জেনসেন হুয়াং, লিসা সু, সের্গেই ব্রিন ও মাইকেল ডেলের মতো প্রযুক্তি খাতের ব্যক্তিত্বদেরও পদক দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে দেশটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি পিইআরএম আবেদন অনুমোদন করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আটটি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগে মাইক্রোসফটসহ আটটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন ও আগে জমা দেওয়া পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (পিইআরএম) আবেদন অনুমোদনের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজ্যান্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো, এইচসিএল টেকনোলজিস ও ক্যাপজেমিনি।

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি এবং বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ তৈরির প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করছে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।

সংবাদ সম্মেলনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মূল্যবান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট দেশীয় কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করছে। তাঁর দাবি, অন্য কোনো মার্কিন কোম্পানি মাইক্রোসফটের মতো এই ব্যবস্থার এত বেশি অপব্যবহার করেনি।

ছাঁটাই ও ভিসার আবেদন নিয়ে বিতর্ক

ভ্যান্সের দাবি, মাইক্রোসফট একই সময়ে প্রায় ছয় হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে এবং ছয় হাজার ৮০০টি এইচ-১বি ভিসার আবেদন করেছে। তাঁর মতে, এ ঘটনা দেশীয় কর্মীদের বদলে বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রবণতা তুলে ধরে।

তবে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানিটির অধিকাংশ কর্মীই মার্কিন নাগরিক। গত অর্থবছরে জমা দেওয়া এইচ-১বি ভিসার আবেদনের প্রায় ৮০ শতাংশই আগে থেকে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল, নতুন নিয়োগের জন্য নয়।

মুখপাত্র আরও বলেন, এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে নিয়োগ করা আন্তর্জাতিক কর্মীদের একই পর্যায়ের মার্কিন কর্মীদের সমপর্যায়ের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।

প্রযুক্তি খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এলিসের তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফটে একজন এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীর গড় বেতন প্রায় এক লাখ ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার।

এইচ-১বি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া

এইচ-১বি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ দেয়। প্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন শিল্পে দীর্ঘদিন ধরে এই ভিসা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অ্যামাজন, গুগল, মেটা, অ্যাপল ও এনভিডিয়ার মতো প্রতিষ্ঠানও এ কর্মসূচির মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে।

অন্যদিকে, পিইআরএম কর্মসূচি বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাধারণত এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মীরা পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগ পান।

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং বলেন, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভিসা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। তাঁর অভিযোগ, এতে মার্কিন কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভ্যান্স আরও বলেন, কোনো বিদেশি কর্মীকে স্পনসর করা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাঁটাই করা হলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার বৈধতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে কর্মীরা সর্বোচ্চ ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পেতে পারেন। তবে এই সময়সীমা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে গত মাসে মার্কিন প্রশাসনের উদ্যোগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে পদক পেলেন সত্য নাদেলা

এদিকে, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য একটি পদক গ্রহণ করেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা।

অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নাদেলার প্রশংসা করেন এবং তাঁকে পদক দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করার কথা জানান। অনুষ্ঠানে ইলন মাস্ক, জেনসেন হুয়াং, লিসা সু, সের্গেই ব্রিন ও মাইকেল ডেলের মতো প্রযুক্তি খাতের ব্যক্তিত্বদেরও পদক দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে দেশটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি পিইআরএম আবেদন অনুমোদন করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আটটি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।