০২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ দলের দুটি সমস্যা চিহ্নিত করলেন কোচ থমাস ডুলি

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এশিয়ান কাপে এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। দুটিতেই হার। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজয়ের পর সোমবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে থমাস ডুলির দল। দুই ম্যাচে চার গোল হজম করলেও বাংলাদেশ কোনো গোল করতে পারেনি।

দলের এমন পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের দুটি বড় সমস্যা চিহ্নিত করেছেন জাতীয় দলের কোচ থমাস ডুলি। তাঁর মতে, দলের প্রধান দুর্বলতা গোল করার ক্ষেত্রে। আর এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ঘাটতির কথা বলেছেন তিনি।

গোল করার মতো খেলোয়াড়ের সংকট

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলেন, দলে গোল করার মতো কার্যকর খেলোয়াড়ের ঘাটতি রয়েছে। ডুলির ভাষায়, ‘আমাদের বড় সমস্যা হলো, গোল করার মতো তেমন কেউ নেই।’

ম্যাচে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগানোর মতো নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকারের অভাব নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে বিভিন্ন সময়ও বাংলাদেশ দলে স্বীকৃত গোলস্কোরারের ঘাটতির কথা জানিয়েছিলেন ডুলি।

ঘরোয়া লিগে প্রতিযোগিতার ঘাটতি

বাংলাদেশের গোল করার দুর্বলতার সঙ্গে ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামোরও সম্পর্ক দেখছেন ডুলি। তাঁর মতে, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা ইন্দোনেশিয়ার মতো নিয়মিত ও বড় পরিসরের লিগ বাংলাদেশে নেই।

ডুলি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে ঘরোয়া প্রতিযোগিতা রয়েছে, সেটা খুব বেশি বড় নয়। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর বা ইন্দোনেশিয়ার মতো লিগ আমাদের নেই।’

তাঁর মতে, নিয়মিত লিগ আয়োজন হলে ফুটবলাররা প্রতি সপ্তাহে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন। এতে ম্যাচের ভুল থেকে শেখা এবং নিজেদের উন্নতির সুযোগও বাড়ত।

জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব

ঘরোয়া ফুটবলে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের অভাব জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন ডুলি। তাঁর মতে, পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি না হওয়ায় জাতীয় দলকে বিদেশে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলারদের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে।

এশিয়ান কাপে দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সামনে এখন গোল করার সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দু’টি ম্যাচে হারলেও দলের দুর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য পরিকল্পনা সাজাতে চান কোচ থমাস ডুলি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাংলাদেশ দলের দুটি সমস্যা চিহ্নিত করলেন কোচ থমাস ডুলি

আপডেট সময় : ০১:৩১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ান কাপে এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। দুটিতেই হার। প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজয়ের পর সোমবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে থমাস ডুলির দল। দুই ম্যাচে চার গোল হজম করলেও বাংলাদেশ কোনো গোল করতে পারেনি।

দলের এমন পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের দুটি বড় সমস্যা চিহ্নিত করেছেন জাতীয় দলের কোচ থমাস ডুলি। তাঁর মতে, দলের প্রধান দুর্বলতা গোল করার ক্ষেত্রে। আর এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ঘাটতির কথা বলেছেন তিনি।

গোল করার মতো খেলোয়াড়ের সংকট

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলেন, দলে গোল করার মতো কার্যকর খেলোয়াড়ের ঘাটতি রয়েছে। ডুলির ভাষায়, ‘আমাদের বড় সমস্যা হলো, গোল করার মতো তেমন কেউ নেই।’

ম্যাচে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগানোর মতো নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকারের অভাব নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। এর আগে বিভিন্ন সময়ও বাংলাদেশ দলে স্বীকৃত গোলস্কোরারের ঘাটতির কথা জানিয়েছিলেন ডুলি।

ঘরোয়া লিগে প্রতিযোগিতার ঘাটতি

বাংলাদেশের গোল করার দুর্বলতার সঙ্গে ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামোরও সম্পর্ক দেখছেন ডুলি। তাঁর মতে, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা ইন্দোনেশিয়ার মতো নিয়মিত ও বড় পরিসরের লিগ বাংলাদেশে নেই।

ডুলি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের যে ঘরোয়া প্রতিযোগিতা রয়েছে, সেটা খুব বেশি বড় নয়। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর বা ইন্দোনেশিয়ার মতো লিগ আমাদের নেই।’

তাঁর মতে, নিয়মিত লিগ আয়োজন হলে ফুটবলাররা প্রতি সপ্তাহে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন। এতে ম্যাচের ভুল থেকে শেখা এবং নিজেদের উন্নতির সুযোগও বাড়ত।

জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব

ঘরোয়া ফুটবলে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের অভাব জাতীয় দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন ডুলি। তাঁর মতে, পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি না হওয়ায় জাতীয় দলকে বিদেশে খেলার অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলারদের ওপর বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে।

এশিয়ান কাপে দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সামনে এখন গোল করার সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দু’টি ম্যাচে হারলেও দলের দুর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য পরিকল্পনা সাজাতে চান কোচ থমাস ডুলি।