০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টিনার কাছে ৭ গোল খাওয়া বুরকিনা ফাসো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্জেন্টিনার কাছে ৭-০ গোলে হারের পর ফিফার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পড়েছে বুরকিনা ফাসো। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে। একই সঙ্গে ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। ফলে দেশটির ফুটবল প্রশাসন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দলের সফরে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফেডারেশনের প্রধান কর্নেল-মেজর ওমারো সাওয়াদোগোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আর্জেন্টিনা সফরে নানা জটিলতা

আর্জেন্টিনায় পৌঁছানোর আগেই সমস্যায় পড়ে বুরকিনা ফাসোর প্রতিনিধি দল। ট্রানজিট ভিসা ও ফ্লাইটসংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করতে হয় খেলোয়াড়দের। ফলে ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আর্জেন্টিনায় পৌঁছায় দলটি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও বিশ্রাম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি দলের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে সফর ব্যবস্থাপনা নিয়ে ফেডারেশনের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এরপর আর্জেন্টিনার কাছে ৭-০ গোলে হারে বুরকিনা ফাসো। বড় ব্যবধানের এই পরাজয়ের পর দলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়। তবে শুধু ম্যাচের ফল নয়, সফরের আগের অব্যবস্থাপনাও আলোচনায় এসেছে।

ফেডারেশনের ওপর ক্ষুব্ধ প্রেসিডেন্ট

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে দেশের ফুটবলের দুরবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ফুটবলের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রয়োজন নতুন বিনিয়োগ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা।

আরএমসি স্পোর্টের বরাতে ট্রাওরে বলেন, দেশের ফুটবল দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তাই এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতে হবে। পাশাপাশি ফুটবলের উন্নয়নে নতুন করে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ফলে দেশটির ফুটবল প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি

ফুটবল ফেডারেশনের কাজে এত দিন হস্তক্ষেপ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রাওরে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আর অপেক্ষা করতে চান না তিনি। প্রয়োজনে ফেডারেশনের কার্যক্রমে সরাসরি হস্তক্ষেপের কথাও বলেছেন।

ট্রাওরের বক্তব্য অনুযায়ী, ফুটবল প্রশাসনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এমনকি এর কারণে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হলেও তিনি পিছিয়ে আসতে চান না।

তবে এই অবস্থান দেশটির জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। কারণ, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সদস্য ফেডারেশনগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হয়। সরকারি কর্তৃপক্ষের অননুমোদিত হস্তক্ষেপ সেই নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

ফিফার নিয়মে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

ফিফার সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য ফেডারেশনগুলোর দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ফেডারেশনের স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

সদস্য ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তৃতীয় পক্ষের অননুমোদিত হস্তক্ষেপ হলে ফিফা ব্যবস্থা নিতে পারে। তবে কোনো বক্তব্য বা হুমকির পরপরই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয় না। সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনাতেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ের নজির

এর আগে কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ের ফুটবল প্রশাসনও ফিফার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল। এসব ঘটনায় ফুটবল ফেডারেশনের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তাই বুরকিনা ফাসোর বর্তমান পরিস্থিতিও উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে দেশটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

কী হতে পারে বুরকিনা ফাসোর ভবিষ্যৎ?

সব মিলিয়ে বুরকিনা ফাসোর ফুটবল এখন প্রশাসনিক চাপে রয়েছে। একদিকে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা চলছে। অন্যদিকে ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ফেডারেশনের কার্যক্রমে কী পরিবর্তন আসে, তা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ফিফা বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করে, সেটিও নজরে থাকবে।

তবে এখন পর্যন্ত বুরকিনা ফাসোর ওপর ফিফার নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। শেষ পর্যন্ত দেশটির ফুটবল প্রশাসনের সিদ্ধান্ত এবং ফিফার বিধি মেনে চলার ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় আর্জেন্টিনার কাছে ৭ গোল খাওয়া বুরকিনা ফাসো

আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আর্জেন্টিনার কাছে ৭-০ গোলে হারের পর ফিফার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পড়েছে বুরকিনা ফাসো। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে। একই সঙ্গে ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। ফলে দেশটির ফুটবল প্রশাসন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দলের সফরে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফেডারেশনের প্রধান কর্নেল-মেজর ওমারো সাওয়াদোগোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

আর্জেন্টিনা সফরে নানা জটিলতা

আর্জেন্টিনায় পৌঁছানোর আগেই সমস্যায় পড়ে বুরকিনা ফাসোর প্রতিনিধি দল। ট্রানজিট ভিসা ও ফ্লাইটসংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করতে হয় খেলোয়াড়দের। ফলে ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আর্জেন্টিনায় পৌঁছায় দলটি।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও বিশ্রাম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি দলের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে সফর ব্যবস্থাপনা নিয়ে ফেডারেশনের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এরপর আর্জেন্টিনার কাছে ৭-০ গোলে হারে বুরকিনা ফাসো। বড় ব্যবধানের এই পরাজয়ের পর দলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়। তবে শুধু ম্যাচের ফল নয়, সফরের আগের অব্যবস্থাপনাও আলোচনায় এসেছে।

ফেডারেশনের ওপর ক্ষুব্ধ প্রেসিডেন্ট

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে দেশের ফুটবলের দুরবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ফুটবলের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রয়োজন নতুন বিনিয়োগ ও সঠিক ব্যবস্থাপনা।

আরএমসি স্পোর্টের বরাতে ট্রাওরে বলেন, দেশের ফুটবল দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তাই এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজতে হবে। পাশাপাশি ফুটবলের উন্নয়নে নতুন করে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ফলে দেশটির ফুটবল প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি

ফুটবল ফেডারেশনের কাজে এত দিন হস্তক্ষেপ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রাওরে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আর অপেক্ষা করতে চান না তিনি। প্রয়োজনে ফেডারেশনের কার্যক্রমে সরাসরি হস্তক্ষেপের কথাও বলেছেন।

ট্রাওরের বক্তব্য অনুযায়ী, ফুটবল প্রশাসনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এমনকি এর কারণে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হলেও তিনি পিছিয়ে আসতে চান না।

তবে এই অবস্থান দেশটির জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। কারণ, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী সদস্য ফেডারেশনগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হয়। সরকারি কর্তৃপক্ষের অননুমোদিত হস্তক্ষেপ সেই নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

ফিফার নিয়মে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

ফিফার সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য ফেডারেশনগুলোর দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ফেডারেশনের স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

সদস্য ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তৃতীয় পক্ষের অননুমোদিত হস্তক্ষেপ হলে ফিফা ব্যবস্থা নিতে পারে। তবে কোনো বক্তব্য বা হুমকির পরপরই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয় না। সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনাতেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ের নজির

এর আগে কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ের ফুটবল প্রশাসনও ফিফার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিল। এসব ঘটনায় ফুটবল ফেডারেশনের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তাই বুরকিনা ফাসোর বর্তমান পরিস্থিতিও উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে দেশটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

কী হতে পারে বুরকিনা ফাসোর ভবিষ্যৎ?

সব মিলিয়ে বুরকিনা ফাসোর ফুটবল এখন প্রশাসনিক চাপে রয়েছে। একদিকে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা চলছে। অন্যদিকে ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ফেডারেশনের কার্যক্রমে কী পরিবর্তন আসে, তা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ফিফা বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করে, সেটিও নজরে থাকবে।

তবে এখন পর্যন্ত বুরকিনা ফাসোর ওপর ফিফার নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিশ্চিত নয়। শেষ পর্যন্ত দেশটির ফুটবল প্রশাসনের সিদ্ধান্ত এবং ফিফার বিধি মেনে চলার ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।