০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাতাদের অর্থায়ন কমায় ঝুঁকিতে ৮৩ লাখ শরণার্থী: ইউএনএইচসিআর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর সতর্ক করে জানিয়েছে, দাতাদের অর্থায়ন কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য সংস্থাটির সহায়তা কার্যক্রম বড় সংকটে পড়েছে। অর্থের ঘাটতির কারণে প্রায় ৮৩ লাখ শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষ জরুরি সহায়তা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ইউএনএইচসিআর।

কমেছে দাতাদের অর্থায়ন

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সালে সংস্থাটি ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের অনুদান পেয়েছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে অনুদানের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, একই সময়ে সহায়তার প্রয়োজন থাকা মানুষের সংখ্যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ফলে বাড়তি চাহিদার বিপরীতে কম অর্থায়ন সংস্থাটির কার্যক্রমকে আরও চাপে ফেলেছে।

প্রয়োজন ৮.৫ বিলিয়ন ডলার

চলতি বছর শরণার্থী, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ও রাষ্ট্রহীন মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউএনএইচসিআরের অন্তত ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন ছিল।

তবে জুলাই পর্যন্ত সংস্থাটি পেয়েছে মাত্র ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় অর্থের মাত্র ৩২ শতাংশ পাওয়া গেছে। এতে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

জরুরি কার্যক্রমেও অর্থসংকটের প্রভাব

ইউএনএইচসিআর বলেছে, অর্থায়ন কমে যাওয়ায় বিশ্বের প্রধান শরণার্থী এলাকাগুলোতে সহায়তা ও সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

সংস্থাটি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সংস্কার ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে অর্থের ঘাটতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এর প্রভাব এখন জরুরি কার্যক্রমেও পড়ছে।

পুরো সেবা ব্যবস্থা বন্ধের আশঙ্কা

ইউএনএইচসিআরের এক্সটারনাল রিলেশনস বিভাগের প্রধান ডমিনিক হাইড বলেন, সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের নিচে নেমে গেলে তা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যেখানে শুধু কমসংখ্যক মানুষ সেবা পাবেন না; বরং কিছু সেবামূলক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষগুলো প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এক নজরে

  • ২০২৪ সালে ইউএনএইচসিআরের অনুদান: ৫.২ বিলিয়ন ডলার
  • ২০২৫ সালে অনুদান: ৩.৯ বিলিয়ন ডলার
  • ২০২৬ সালে প্রয়োজন: ৮.৫ বিলিয়ন ডলার
  • জুলাই পর্যন্ত পাওয়া গেছে: ২.৭ বিলিয়ন ডলার
  • পাওয়া অর্থ প্রয়োজনের: ৩২ শতাংশ
  • সহায়তা হারানোর ঝুঁকিতে: প্রায় ৮৩ লাখ মানুষ

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দাতাদের অর্থায়ন কমায় ঝুঁকিতে ৮৩ লাখ শরণার্থী: ইউএনএইচসিআর

আপডেট সময় : ১২:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর সতর্ক করে জানিয়েছে, দাতাদের অর্থায়ন কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য সংস্থাটির সহায়তা কার্যক্রম বড় সংকটে পড়েছে। অর্থের ঘাটতির কারণে প্রায় ৮৩ লাখ শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষ জরুরি সহায়তা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ইউএনএইচসিআর।

কমেছে দাতাদের অর্থায়ন

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সালে সংস্থাটি ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের অনুদান পেয়েছিল। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে অনুদানের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে।

অন্যদিকে, একই সময়ে সহায়তার প্রয়োজন থাকা মানুষের সংখ্যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ফলে বাড়তি চাহিদার বিপরীতে কম অর্থায়ন সংস্থাটির কার্যক্রমকে আরও চাপে ফেলেছে।

প্রয়োজন ৮.৫ বিলিয়ন ডলার

চলতি বছর শরণার্থী, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ও রাষ্ট্রহীন মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইউএনএইচসিআরের অন্তত ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন ছিল।

তবে জুলাই পর্যন্ত সংস্থাটি পেয়েছে মাত্র ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় অর্থের মাত্র ৩২ শতাংশ পাওয়া গেছে। এতে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

জরুরি কার্যক্রমেও অর্থসংকটের প্রভাব

ইউএনএইচসিআর বলেছে, অর্থায়ন কমে যাওয়ায় বিশ্বের প্রধান শরণার্থী এলাকাগুলোতে সহায়তা ও সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

সংস্থাটি তাদের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সংস্কার ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে অর্থের ঘাটতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এর প্রভাব এখন জরুরি কার্যক্রমেও পড়ছে।

পুরো সেবা ব্যবস্থা বন্ধের আশঙ্কা

ইউএনএইচসিআরের এক্সটারনাল রিলেশনস বিভাগের প্রধান ডমিনিক হাইড বলেন, সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের নিচে নেমে গেলে তা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যেখানে শুধু কমসংখ্যক মানুষ সেবা পাবেন না; বরং কিছু সেবামূলক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষগুলো প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এক নজরে

  • ২০২৪ সালে ইউএনএইচসিআরের অনুদান: ৫.২ বিলিয়ন ডলার
  • ২০২৫ সালে অনুদান: ৩.৯ বিলিয়ন ডলার
  • ২০২৬ সালে প্রয়োজন: ৮.৫ বিলিয়ন ডলার
  • জুলাই পর্যন্ত পাওয়া গেছে: ২.৭ বিলিয়ন ডলার
  • পাওয়া অর্থ প্রয়োজনের: ৩২ শতাংশ
  • সহায়তা হারানোর ঝুঁকিতে: প্রায় ৮৩ লাখ মানুষ