০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

থাইল্যান্ডকে হারিয়ে আসিয়ান কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘরের মাঠে ইতিহাস গড়েছে ইন্দোনেশিয়া। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে থাইল্যান্ডকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্বাগতিক দল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিট মিলিয়ে মোট ১২০ মিনিটের লড়াইয়েও দুই দলকে আলাদা করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে জয় তুলে নেয় ইন্দোনেশিয়া।

নির্ধারিত সময়ে সমতায় দুই দল

ফাইনালের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। দুই দলই একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। তবে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও জমে ওঠে। ৮৪ মিনিটে ডিন জেমসের নেওয়া শট থাইল্যান্ডের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। এতে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। গোলের পর ঘরের মাঠের দর্শকদের উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।

তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। মাত্র তিন মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় থাইল্যান্ড। সেকস্যান রাত্রের অ্যাসিস্ট থেকে ইকলাস সানরন গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়েও নাটক

অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান। ১১১ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় থাইল্যান্ড। অ্যানের অ্যাসিস্ট থেকে পিরাডল চামরাসামি গোল করে থাইল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন থাইল্যান্ডের হাতে চলে গেছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হাল ছাড়েনি ইন্দোনেশিয়া। মাত্র চার মিনিট পরই গোল করে আবারও সমতা ফেরান এলকান বাগোট।

তার গোলে ম্যাচের স্কোর ২-২ হয়ে যায়। এরপর বাকি সময়ে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে। কিন্তু আর কোনো গোল না হওয়ায় ১২০ মিনিট শেষে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি।

টাইব্রেকারে নির্ধারণ হলো চ্যাম্পিয়ন

দুই ঘণ্টার কাছাকাছি সময় ধরে চলা লড়াইয়ের পর শিরোপা নির্ধারণের জন্য শুরু হয় টাইব্রেকার। সেখানেও প্রথম দুই শটে দুই দলই গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ধরে রাখে।

ইন্দোনেশিয়া নিজেদের তৃতীয় ও চতুর্থ শটেও সফল হয়। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের তৃতীয় শট বারে লেগে ফিরে আসে। এরপর থাইল্যান্ডের চতুর্থ শটটি ঠেকিয়ে দেন ইন্দোনেশিয়ার গোলরক্ষক এমিল অদেরো।

ফলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইন্দোনেশিয়া।

ঘরের মাঠে ঐতিহাসিক উদযাপন

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করল ইন্দোনেশিয়া। ঘরের মাঠে এমন ঐতিহাসিক সাফল্য পাওয়ায় ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠেন খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা।

দীর্ঘ ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে জয় পাওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার শিরোপা জয়ের আনন্দও হয়েছে দ্বিগুণ। অন্যদিকে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে থাইল্যান্ডকে।

ফাইনালের পুরো ম্যাচজুড়েই দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও দুই দল সমানে সমান থাকায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণ করে টাইব্রেকার। সেখানে গোলরক্ষক এমিল অদেরোর গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং ইন্দোনেশিয়ার শটকারীদের সাফল্যই গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

থাইল্যান্ডকে হারিয়ে আসিয়ান কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়া

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ঘরের মাঠে ইতিহাস গড়েছে ইন্দোনেশিয়া। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে থাইল্যান্ডকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্বাগতিক দল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিট মিলিয়ে মোট ১২০ মিনিটের লড়াইয়েও দুই দলকে আলাদা করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে জয় তুলে নেয় ইন্দোনেশিয়া।

নির্ধারিত সময়ে সমতায় দুই দল

ফাইনালের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। দুই দলই একাধিকবার প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। তবে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও জমে ওঠে। ৮৪ মিনিটে ডিন জেমসের নেওয়া শট থাইল্যান্ডের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। এতে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। গোলের পর ঘরের মাঠের দর্শকদের উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।

তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। মাত্র তিন মিনিট পরই ম্যাচে সমতা ফেরায় থাইল্যান্ড। সেকস্যান রাত্রের অ্যাসিস্ট থেকে ইকলাস সানরন গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

অতিরিক্ত সময়েও নাটক

অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান। ১১১ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় থাইল্যান্ড। অ্যানের অ্যাসিস্ট থেকে পিরাডল চামরাসামি গোল করে থাইল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন থাইল্যান্ডের হাতে চলে গেছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হাল ছাড়েনি ইন্দোনেশিয়া। মাত্র চার মিনিট পরই গোল করে আবারও সমতা ফেরান এলকান বাগোট।

তার গোলে ম্যাচের স্কোর ২-২ হয়ে যায়। এরপর বাকি সময়ে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে। কিন্তু আর কোনো গোল না হওয়ায় ১২০ মিনিট শেষে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি।

টাইব্রেকারে নির্ধারণ হলো চ্যাম্পিয়ন

দুই ঘণ্টার কাছাকাছি সময় ধরে চলা লড়াইয়ের পর শিরোপা নির্ধারণের জন্য শুরু হয় টাইব্রেকার। সেখানেও প্রথম দুই শটে দুই দলই গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ধরে রাখে।

ইন্দোনেশিয়া নিজেদের তৃতীয় ও চতুর্থ শটেও সফল হয়। অন্যদিকে থাইল্যান্ডের তৃতীয় শট বারে লেগে ফিরে আসে। এরপর থাইল্যান্ডের চতুর্থ শটটি ঠেকিয়ে দেন ইন্দোনেশিয়ার গোলরক্ষক এমিল অদেরো।

ফলে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইন্দোনেশিয়া।

ঘরের মাঠে ঐতিহাসিক উদযাপন

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করল ইন্দোনেশিয়া। ঘরের মাঠে এমন ঐতিহাসিক সাফল্য পাওয়ায় ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠেন খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা।

দীর্ঘ ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে জয় পাওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার শিরোপা জয়ের আনন্দও হয়েছে দ্বিগুণ। অন্যদিকে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে থাইল্যান্ডকে।

ফাইনালের পুরো ম্যাচজুড়েই দুই দলের লড়াই ছিল জমজমাট। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও দুই দল সমানে সমান থাকায় শেষ পর্যন্ত ভাগ্য নির্ধারণ করে টাইব্রেকার। সেখানে গোলরক্ষক এমিল অদেরোর গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং ইন্দোনেশিয়ার শটকারীদের সাফল্যই গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য।