০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি’র তহবিল নিয়ে প্রশাসকের হিসাব প্রকাশ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডিএনসিসি উত্তরের তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণে প্রশাসকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি নীচে হুবহু দেয়া হলো:

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব হস্তান্তরের দিন কর্পোরেশনের ২৬টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ১,২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩১১ টাকা ৬০ পয়সা থাকার যে দাবি করেছেন, সে বিষয়ে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং বিভিন্ন ঠিকাদারী বিল পরিশোধ করা হয় কর্পোরেশনের সাধারণ তহবিল থেকে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বর্তমান প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণকালে ডিএনসিসির সাধারণ তহবিলে ক্যাশ স্থিতি ছিল ২৫ কোটি টাকা এবং ফিক্সড ডিপোজিট ছিল বিভিন্ন তহবিলের ৮২৫ কোটি টাকা, যা আপদকালীন দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত রাখা আছে। উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখে সাধারণ তহবিলে ক্যাশ স্থিতি ছিল=৫৯৭ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট ছিল=৮২৫ কোটি টাকা। ০১ জুলাই ২০২৪ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়=১১৭৮ কোটি টাকা অর্থাৎ ০১ জুলাই ২০২৪ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০২৫ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত মোট ক্যাশ ব্যালেন্স=১৭৭৫ কোটি টাকা। সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রি. তারিখে দায়িত্ব গ্রহন করার পর অতি উচ্চাবিলাসী বাজেট প্রনয়ণ করে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে ৩০ জুন ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত মোট ব্যয় করেছেন=১৪৩৯ কোটি টাকা। ফলে ০১ জুলাই ২০২৫ খ্রি. তারিখে ক্যাশ স্থিতি থাকে=৩৩৬ কোটি টাকা। ০১ জুলাই ২০২৫ খ্রি. তারিখ হতে ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়=৮২০ কোটি টাকা। ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ক্যাশ স্থিতি দাঁড়ায়=১১৫৬ কোটি টাকা।

সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ পুনরায় অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ হতে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত এই অল্প সময়ের মধ্যে খরচ করেন=১১৩১ কোটি টাকা। বর্তমান প্রশাসক জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণের দিন অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ক্যাশ স্থিতি থাকে=২৫ কোটি টাকা, যা ডিএনসিসির ইতিহাসে সর্বনিম্ন এবং পূর্বের বিভিন্ন তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট করা ৮২৫ কোটি টাকা, যা আপদকালীন দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত রাখা আছে। উল্লেখ্য যে, সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ তঞ্চকতার আশ্রয় গ্রহণ করে ফিক্সড ডিপোজিটের ৮২৫ কোটি টাকা এবং কর্পোরেশনের বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিল—যেমন জামানত তহবিল, পেনশন তহবিল, শিক্ষা তহবিল, জিপিএফ (জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড) ইত্যাদি খাতের চলতি/সঞ্চয়ী হিসাবের ৪৩৫ কোটি টাকা একত্র করে মোট=১২৬০ কোটি টাকার একটি হিসাব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন এবং ডিএনসিসির বর্তমান প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করেছেন মাত্র।

আরো উল্লেখ্য যে, সাবেক প্রশাসক শেষ কর্মদিবসে অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে সাধারণ তহবিলে স্থিতির বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে এবং প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে কিনা তা যাচাই না করে তাড়াহুড়ো করে ৩৬টি বিলের নথি অনুমোদন করে গেছেন যাতে প্রায় ৪২ কোটি টাকা বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পাবে।

বর্তমানে বর্ণিত নথিগুলো যাচাই করার জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কর্পোরেশনের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে সঠিক তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা জরুরি। তাই বিষয়টি পরিষ্কার করতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঢাকা উত্তর সিটি’র তহবিল নিয়ে প্রশাসকের হিসাব প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ডিএনসিসি উত্তরের তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণে প্রশাসকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি নীচে হুবহু দেয়া হলো:

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব হস্তান্তরের দিন কর্পোরেশনের ২৬টি ব্যাংক হিসাবের মধ্যে ১,২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩১১ টাকা ৬০ পয়সা থাকার যে দাবি করেছেন, সে বিষয়ে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং বিভিন্ন ঠিকাদারী বিল পরিশোধ করা হয় কর্পোরেশনের সাধারণ তহবিল থেকে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বর্তমান প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণকালে ডিএনসিসির সাধারণ তহবিলে ক্যাশ স্থিতি ছিল ২৫ কোটি টাকা এবং ফিক্সড ডিপোজিট ছিল বিভিন্ন তহবিলের ৮২৫ কোটি টাকা, যা আপদকালীন দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত রাখা আছে। উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখে সাধারণ তহবিলে ক্যাশ স্থিতি ছিল=৫৯৭ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট ছিল=৮২৫ কোটি টাকা। ০১ জুলাই ২০২৪ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়=১১৭৮ কোটি টাকা অর্থাৎ ০১ জুলাই ২০২৪ তারিখ হতে ৩০ জুন ২০২৫ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত মোট ক্যাশ ব্যালেন্স=১৭৭৫ কোটি টাকা। সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রি. তারিখে দায়িত্ব গ্রহন করার পর অতি উচ্চাবিলাসী বাজেট প্রনয়ণ করে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে ৩০ জুন ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত মোট ব্যয় করেছেন=১৪৩৯ কোটি টাকা। ফলে ০১ জুলাই ২০২৫ খ্রি. তারিখে ক্যাশ স্থিতি থাকে=৩৩৬ কোটি টাকা। ০১ জুলাই ২০২৫ খ্রি. তারিখ হতে ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়=৮২০ কোটি টাকা। ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ক্যাশ স্থিতি দাঁড়ায়=১১৫৬ কোটি টাকা।

সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ পুনরায় অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ হতে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত এই অল্প সময়ের মধ্যে খরচ করেন=১১৩১ কোটি টাকা। বর্তমান প্রশাসক জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম খান দায়িত্ব গ্রহণের দিন অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ক্যাশ স্থিতি থাকে=২৫ কোটি টাকা, যা ডিএনসিসির ইতিহাসে সর্বনিম্ন এবং পূর্বের বিভিন্ন তহবিলের ফিক্সড ডিপোজিট করা ৮২৫ কোটি টাকা, যা আপদকালীন দায় মেটানোর জন্য সংরক্ষিত রাখা আছে। উল্লেখ্য যে, সাবেক প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এজাজ তঞ্চকতার আশ্রয় গ্রহণ করে ফিক্সড ডিপোজিটের ৮২৫ কোটি টাকা এবং কর্পোরেশনের বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিল—যেমন জামানত তহবিল, পেনশন তহবিল, শিক্ষা তহবিল, জিপিএফ (জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড) ইত্যাদি খাতের চলতি/সঞ্চয়ী হিসাবের ৪৩৫ কোটি টাকা একত্র করে মোট=১২৬০ কোটি টাকার একটি হিসাব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন এবং ডিএনসিসির বর্তমান প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করেছেন মাত্র।

আরো উল্লেখ্য যে, সাবেক প্রশাসক শেষ কর্মদিবসে অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে সাধারণ তহবিলে স্থিতির বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে এবং প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে কিনা তা যাচাই না করে তাড়াহুড়ো করে ৩৬টি বিলের নথি অনুমোদন করে গেছেন যাতে প্রায় ৪২ কোটি টাকা বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পাবে।

বর্তমানে বর্ণিত নথিগুলো যাচাই করার জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কর্পোরেশনের আর্থিক অবস্থার বিষয়ে সঠিক তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা জরুরি। তাই বিষয়টি পরিষ্কার করতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো।