ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণ, নারীসহ দুইজনের সশ্রম কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ১২:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়ক বা পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানোর সময় থামিয়ে দেওয়ায় কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে নারীসহ দুইজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন লেডি বাইকার মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানা যায়।
উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো
ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি পয়েন্ট দিয়ে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওই দুই আরোহী।
এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দেন। মোটরসাইকেল থামানোর পর সার্জেন্ট উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা
এ সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাদের সঙ্গে সার্জেন্টের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের দৃশ্য দেখা যায়।
একপর্যায়ে নারী আরোহী সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলেন এবং তাকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন। এতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।
আদালতে হাজির, ৭ দিনের কারাদণ্ড
সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে প্রকাশ্য সড়কে অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে পরে ওই দুইজনকে আটক করা হয়।
আটকের পর তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ট্রাফিক আইন মানার আহ্বান
সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করতে ডিএমপি নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ট্রাফিক আইন অমান্য, সরকারি কাজে বাধা বা দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের মতো ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।





















