০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানির দাম বাড়ায় শেয়ারবাজারে নতুন উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাম্প্রতিক দরপতনের পর টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। কম দামে পাওয়া তুলনামূলক ভালো মৌলভিত্তির ও বাছাই করা শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় সপ্তাহজুড়ে সূচক ও লেনদেন—দুটিই বেড়েছে। তবে এর মধ্যেই সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন, উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে। এতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মুনাফায় চাপ পড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতিও বাড়তে পারে। আর মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়লে ঋণের সুদহার কমানোর প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানির দাম নিয়ে নতুন শঙ্কা

গত রোববার রাতে সরকার চার ধরনের প্রধান জ্বালানি পণ্যের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশেষ করে উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রমে জ্বালানির ব্যবহার বেশি—এমন কোম্পানিগুলোর ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। ফলে আগামী কয়েক প্রান্তিকে এসব কোম্পানির মুনাফা বৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে।

একটি শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাজার এমনিতেই চাপের মধ্যে ছিল। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো শেয়ারবাজারের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব কোম্পানিগুলোর মুনাফায় পড়তে পারে।

ইবিএল সিকিউরিটিজের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনাতেও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে নতুন উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, আকর্ষণীয় দামে থাকা শেয়ারে ব্যাপক কেনাকাটার কারণে বাজারে উত্থান হয়েছে। তবে এই পুনরুদ্ধার কতটা টেকসই হবে, তা অর্থনৈতিক উদ্বেগ কমা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ওপর নির্ভর করবে।

বড় মূলধনি শেয়ারে বেড়েছে সূচক

জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সপ্তাহে বড় মূলধনি কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসইএক্স ঊর্ধ্বমুখী ছিল। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ওরিয়ন ইনফিউশন ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক—এই চার কোম্পানি মিলে ডিএসইএক্সে ১৮ পয়েন্টের বেশি যোগ করেছে।

সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৫৭৮ পয়েন্টে উঠেছে। আগের সপ্তাহেও সূচক বেড়েছিল। ফলে দুই সপ্তাহে ডিএসইএক্স বেড়েছে মোট ৬৩ পয়েন্ট।

এদিকে ডিএস৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানির সূচক ডিএসইএসও ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১১৬ পয়েন্টে উঠেছে।

লেনদেন বেড়েছে ৪২ শতাংশ

সূচকের পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা।

দৈনিক গড় লেনদেনও ৪২ শতাংশ বেড়ে ৭৮৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৫৫৫ কোটি টাকা।

মোট লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বস্ত্র খাত। সপ্তাহের মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ৫ শতাংশ এসেছে এ খাত থেকে। এরপর সাধারণ বিমা খাতের ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৩ দশমিক ১ শতাংশ অবদান রয়েছে।

বেশির ভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে

সপ্তাহে ডিএসইতে ২৫২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১০৫টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

খাতগুলোর মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ডে সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এ খাতের গড় শেয়ারদর প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি এনবিএফআই, ওষুধ ও রসায়ন, প্রকৌশল, টেলিযোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ খাতেও মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন

সপ্তাহে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারে। ব্যাংকটির প্রায় ১১০ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে পরের অবস্থানে ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও সাইহাম টেক্সটাইল।

সিএসইতেও সূচকের উত্থান

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সপ্তাহ শেষে সূচক বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক (ক্যাসপি) ১৭৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৯১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে নির্বাচিত কোম্পানির সূচক সিএসসিএক্স ১২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে উঠেছে।

সব মিলিয়ে টানা দুই সপ্তাহের উত্থানে শেয়ারবাজারে পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা গেলেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কম দামে থাকা শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও বাড়তি লেনদেন বাজারকে চাঙা করলেও কোম্পানির ব্যয় ও মুনাফায় জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জ্বালানির দাম বাড়ায় শেয়ারবাজারে নতুন উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাম্প্রতিক দরপতনের পর টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। কম দামে পাওয়া তুলনামূলক ভালো মৌলভিত্তির ও বাছাই করা শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় সপ্তাহজুড়ে সূচক ও লেনদেন—দুটিই বেড়েছে। তবে এর মধ্যেই সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন, উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে। এতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মুনাফায় চাপ পড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতিও বাড়তে পারে। আর মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়লে ঋণের সুদহার কমানোর প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানির দাম নিয়ে নতুন শঙ্কা

গত রোববার রাতে সরকার চার ধরনের প্রধান জ্বালানি পণ্যের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশেষ করে উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রমে জ্বালানির ব্যবহার বেশি—এমন কোম্পানিগুলোর ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। ফলে আগামী কয়েক প্রান্তিকে এসব কোম্পানির মুনাফা বৃদ্ধির গতি কমে যেতে পারে।

একটি শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বাজার এমনিতেই চাপের মধ্যে ছিল। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো শেয়ারবাজারের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব কোম্পানিগুলোর মুনাফায় পড়তে পারে।

ইবিএল সিকিউরিটিজের সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনাতেও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিকে নতুন উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, আকর্ষণীয় দামে থাকা শেয়ারে ব্যাপক কেনাকাটার কারণে বাজারে উত্থান হয়েছে। তবে এই পুনরুদ্ধার কতটা টেকসই হবে, তা অর্থনৈতিক উদ্বেগ কমা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ওপর নির্ভর করবে।

বড় মূলধনি শেয়ারে বেড়েছে সূচক

জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও সপ্তাহে বড় মূলধনি কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসইএক্স ঊর্ধ্বমুখী ছিল। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ওরিয়ন ইনফিউশন ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক—এই চার কোম্পানি মিলে ডিএসইএক্সে ১৮ পয়েন্টের বেশি যোগ করেছে।

সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৫৭৮ পয়েন্টে উঠেছে। আগের সপ্তাহেও সূচক বেড়েছিল। ফলে দুই সপ্তাহে ডিএসইএক্স বেড়েছে মোট ৬৩ পয়েন্ট।

এদিকে ডিএস৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানির সূচক ডিএসইএসও ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১১৬ পয়েন্টে উঠেছে।

লেনদেন বেড়েছে ৪২ শতাংশ

সূচকের পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা।

দৈনিক গড় লেনদেনও ৪২ শতাংশ বেড়ে ৭৮৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৫৫৫ কোটি টাকা।

মোট লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে বস্ত্র খাত। সপ্তাহের মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ৫ শতাংশ এসেছে এ খাত থেকে। এরপর সাধারণ বিমা খাতের ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৩ দশমিক ১ শতাংশ অবদান রয়েছে।

বেশির ভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে

সপ্তাহে ডিএসইতে ২৫২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১০৫টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

খাতগুলোর মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ডে সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এ খাতের গড় শেয়ারদর প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি এনবিএফআই, ওষুধ ও রসায়ন, প্রকৌশল, টেলিযোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ খাতেও মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে।

ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন

সপ্তাহে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংকের শেয়ারে। ব্যাংকটির প্রায় ১১০ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে পরের অবস্থানে ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও সাইহাম টেক্সটাইল।

সিএসইতেও সূচকের উত্থান

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সপ্তাহ শেষে সূচক বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক (ক্যাসপি) ১৭৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৯১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে নির্বাচিত কোম্পানির সূচক সিএসসিএক্স ১২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে উঠেছে।

সব মিলিয়ে টানা দুই সপ্তাহের উত্থানে শেয়ারবাজারে পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা গেলেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কম দামে থাকা শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ও বাড়তি লেনদেন বাজারকে চাঙা করলেও কোম্পানির ব্যয় ও মুনাফায় জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।