চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে কমেছে প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম
- আপডেট সময় : ০৫:০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম বৃহত্তম পাইকারি বাজার- চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে কমেছে প্রায় সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ার কারণে সব ধরনের পণ্যের দাম নিম্নমুখী রয়েছে। এদিকে রমজানের পণ্যবোঝাই অর্ধশত জাহাজ চট্টগ্রামের বন্দরসীমায় আটকা পড়ে আছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ভোগ্যপণ্য নিয়ে ভাসতে থাকা ৫৫টি জাহাজ এবার ধরতে পারছে না রমজানের বাজার। পাইকারি মোকাম- খাতুনগঞ্জের চাহিদা পূরণে এসব পণ্য আমদানী হলেও ধর্মঘটের কারণে সেগুলো যথাসময়ে খালাস করতে পারেননি আমদানিকারকরা। এসব জাহাজে রয়েছে চাল, ডাল, ছোলা, খেজুর, চিনি, ফলমূল, তেলসহ নানা ভোগ্যপণ্য। টানা কর্মবিরতি ও নির্বাচনের ছুটির ফাঁদে পড়ে পণ্যগুলো খালাসের অভাবে সময়মতো বাজারে আনতে পারেননি আমদানিকারকরা।
এদিকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এরই মধ্যে বাজারে রমজানের পাইকারী বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। সারাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আনা হচ্ছে ট্রাকে। ব্যবসায়ীরা জানান, ছোলা, চিনি, পেঁয়াজ, খেসারি, খেজুরসহ রমজানের সব পণ্যেরই এবার সরবরাহ পর্যাপ্ত। তবে অর্থনৈতিক দুরবস্থায় কমে গেছে চাহিদা। কিছু কিছু পণ্যের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, রসুন ১৪০ টাকা, ছোলা মানভেদে ৭২ থেকে ৭৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশে রমজানে খেজুরের চাহিদা ৭০ থেকে ৮০ হাজার টন। এবার আমদানি বাড়ায় পাইকারিতে খেজুরের দাম গতবারের তুলনায় কমেছে ১৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। প্রতিকেজি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে সর্বোচ্চ ১২শ’ টাকায়।
পুরো রমজান মাস জুড়ে প্রশাসন বাজার মনিটরিংয়ে রাখলে পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে থাকবে বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।


















