এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
- আপডেট সময় : ১২:৪৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে এলপিজি মজুত করে বাজারে অস্থিরতা বা জনঅসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান জানান, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে এলপিজির সংকট তৈরি হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানান তিনি।
মজুতদারি ঠেকাতে সতর্ক সরকার
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা।
সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমদানিকারক ও অপারেটররা দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও দেশের কিছু এলাকায় এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি করতে না পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববাজারের প্রভাবও দেখছে সরকার
এলপিজির দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব থাকতে পারে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন পণ্যের বাজারে বর্তমানে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবেও কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
এলপিজির বাজার পরিস্থিতি সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।























