ইরান যুদ্ধের চাপ, মার্কিন রণতরীর ৮ নৌসেনার আত্মহত্যার চেষ্টা
- আপডেট সময় : ১২:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
ইরানের বিরুদ্ধে ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক অভিযানের মধ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের আট সদস্য আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তবে এ সময় কোনো নৌসেনা আত্মহত্যা করে মারা যাননি।
মার্কিন ভারপ্রাপ্ত নৌমন্ত্রী হাং কাওয়ের একটি চিঠিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত চিঠিটি মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য সিনেটর কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ডের প্রশ্নের লিখিত জবাবে দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে বলে জানিয়েছে আনাদোলু ও সিএনএন।
স্ট্রাইক গ্রুপে ৮ আত্মহত্যার চেষ্টা
চিঠিতে হাং কাও জানান, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের অভিযান শুরুর পর পুরো স্ট্রাইক গ্রুপে মোট আটটি আত্মহত্যার চেষ্টা হয়েছে।
এই সংখ্যার মধ্যে শুধু রণতরীটির নাবিকরাই নন, বরং ক্যারিয়ারের বিমানবাহিনী, স্ট্রাইক গ্রুপ ও ডেস্ট্রয়ার স্কোয়াড্রনের সদস্য, সঙ্গে থাকা ডেস্ট্রয়ার এবং জাহাজে থাকা বিমান স্কোয়াড্রনের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের চাপ
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে কেন্দ্র করে গঠিত স্ট্রাইক গ্রুপে প্রায় ছয়টি জাহাজে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার মার্কিন নৌসেনা মোতায়েন ছিলেন। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় রণতরীটি ছয় মাসেরও বেশি সময় কোনো বন্দরে না থেমে সমুদ্রে অবস্থান করে।
একজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, আটটি আত্মহত্যার চেষ্টা ‘অত্যন্ত বেশি’। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপগুলোর স্বাভাবিক মোতায়েনে বছরে সাধারণত এক বা দুটি আত্মহত্যার চেষ্টা দেখা যায়।
ওই কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধকালীন অভিযানের চাপ স্বাভাবিক মোতায়েনের তুলনায় অনেক বেশি। দীর্ঘ সময় কোনো বন্দরে বিরতি না পাওয়া এবং সবসময় সতর্ক অবস্থায় থাকার মতো বিষয়গুলো এর সঙ্গে যুক্ত।
২৮৬ দিন পর বন্দরে নোঙর
দীর্ঘ ২৮৬ দিন সমুদ্রে অবস্থানের পর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন গত ২ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের লায়েম চাবাং বন্দরে নোঙর করে।
তবে নৌমন্ত্রী হাং কাওয়ের চিঠিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, অভিযানের সময় স্ট্রাইক গ্রুপের কোনো সদস্য আত্মহত্যা করে মারা যাননি।





















