০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

আমুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা, উসকানি এবং হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন যারা

আমির হোসেন আমু ছাড়া অপর ছয় আসামি হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান।

এ ছাড়া সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এ মামলার আসামি।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযোগ দাখিল

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক সাতজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেন।

পরবর্তীতে প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও অভিযোগ পর্যালোচনা শেষে সোমবার তা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে।

আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অভিযোগ

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থেকে তারা আন্দোলন দমনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে কারফিউ জারি এবং সেই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলন দমনে হামলা ও উসকানির পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আমুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা, উসকানি এবং হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন যারা

আমির হোসেন আমু ছাড়া অপর ছয় আসামি হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান।

এ ছাড়া সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিও এ মামলার আসামি।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযোগ দাখিল

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক সাতজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেন।

পরবর্তীতে প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও অভিযোগ পর্যালোচনা শেষে সোমবার তা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে।

আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অভিযোগ

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে আসামিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থেকে তারা আন্দোলন দমনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে কারফিউ জারি এবং সেই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলন দমনে হামলা ও উসকানির পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই সাতজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।