কারামুক্ত হলেন শ্রমিকদল নেতা মোকলেস, ফুলের মালায় বরণ
- আপডেট সময় : ১০:৪০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের পর জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিকদল নেতা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া। কারামুক্তির পর কারাগারের বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের মালা ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মোকলেস মিয়া মুক্তি পান। একই মামলায় কারাগারে যাওয়া যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলামও এদিন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
ফুল দিয়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা
মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম কারাগার থেকে বের হওয়ার পর বাইরে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে তারা দুজনকে ফুলের মালা পরিয়ে এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কারা উপ-তত্ত্বাবধায়ক (জেলার) মো. ফখর উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জামিনের কাগজপত্র যাচাই শেষে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আপিল করে জামিন
এর আগে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তাদের আইনজীবী সোহেল খান নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আপিল করেন। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে আদালতের জামিনের আদেশের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে তা যাচাই করে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
যে মামলায় কারাদণ্ড
২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা হয়।
ওই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
তবে মামলার অন্যান্য ধারায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।
পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেন মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় ও সাজা বাতিল করে তাদের খালাস এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়।
সেই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার তারা কারাগার থেকে মুক্তি পান।























