আইনজীবীদের হাতাহাতি, জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে আখতারুজ্জামান
- আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৭১ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য এজলাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই আদালত এলাকায় আইনজীবীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরে দুপুরের দিকে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
এজলাসে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়
এর আগে এক দিনের রিমান্ড শেষে রোববার দুপুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে দুপুর ২টার পর তাকে এজলাসে তোলা হয়।
এ সময় এজলাসকক্ষে আইনজীবীদের অবস্থান ও শুনানিতে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরা পরস্পরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
এজলাসের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি আদালত প্রাঙ্গণের বাইরেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে আদালত সংশ্লিষ্টদের তৎপর হতে দেখা যায়।
এজলাস ত্যাগ করেন বিচারক
আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন। ফলে কিছু সময়ের জন্য জামিন শুনানি স্থগিত হয়ে যায়।
পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে আদালতের কার্যক্রম আবার শুরু হয়। এরপর অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদনের শুনানি শুরু হয়।
উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য
জামিন শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আখতারুজ্জামানের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। তারা তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ করেন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দেন।
জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে আখতারুজ্জামান
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
এর ফলে আদালত থেকে তাকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এদিকে জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে কিছু সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে।
তবে পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে এবং আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।





















