০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

বিশিষ্ট শিল্পপতি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ ইফতির ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক, রাজ ওভারসীজ লিমিটেড এবং বোননজা গ্রুপ অব কোম্পানিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি)-এর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পরিবার ও ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর নিজ এলাকা চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রায়পুরাসহ বিভিন্ন এলাকার মসজিদ ও এতিমখানায় পবিত্র কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল এবং এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। একইভাবে ঢাকার কালীগঞ্জের পাঁচটি এতিমখানা, উত্তরা এবং অন্যান্য এলাকার মসজিদ ও এতিমখানায়ও দোয়া ও খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি

অন্যদিকে, ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ, মোহাম্মদপুরের বাইতুল ফালাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দারুল উলুম বাইতুল জান্নাত মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ভাঙ্গা মসজিদ, মিফতাহুল উলুম ক্যাডেট মাদ্রাসা এবং মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এ ছাড়া মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় বনানী সেনাবাহিনীর কবরস্থান ও বনানী কবরস্থানে দোয়া করা হয়। গুলশানের আজাদ মসজিদেও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ হাউজিং এলাকার ৫ নম্বর রোডে অবস্থিত মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

বাদ জুমা কোরআনখানি ও দোয়া

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মসজিদ ও এতিমখানায় বাদ জুমা পবিত্র কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজনে মরহুমের পরিবারের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং স্মৃতি পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ও মরহুমের ছেলে আনিক ইনতেসার আহমেদ বলেন, ‘আমার বাবার রেখে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আমি পরিচালনা করছি। আমি দেশবাসীসহ সবার কাছে আমার বাবার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করছি।’

স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান মঞ্জুর বলেন, ‘প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ইফতি ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অসহায় মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। আমরা সবার কাছে মরহুমের জন্য দোয়া কামনা করছি। মহান আল্লাহপাক যেন তাঁকে জান্নাতবাসী করেন।’

শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিতি

মরহুম ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) তাঁর কর্মজীবনে শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

তাঁর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল, এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং অসহায়-দুস্থ মানুষের সহায়তার মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন পরিবারের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্মৃতি পরিষদের সংশ্লিষ্টরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশিষ্ট শিল্পপতি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ ইফতির ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় : ০৬:২২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক, রাজ ওভারসীজ লিমিটেড এবং বোননজা গ্রুপ অব কোম্পানিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি)-এর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পরিবার ও ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর নিজ এলাকা চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রায়পুরাসহ বিভিন্ন এলাকার মসজিদ ও এতিমখানায় পবিত্র কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল এবং এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। একইভাবে ঢাকার কালীগঞ্জের পাঁচটি এতিমখানা, উত্তরা এবং অন্যান্য এলাকার মসজিদ ও এতিমখানায়ও দোয়া ও খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি

অন্যদিকে, ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ, মোহাম্মদপুরের বাইতুল ফালাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দারুল উলুম বাইতুল জান্নাত মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ভাঙ্গা মসজিদ, মিফতাহুল উলুম ক্যাডেট মাদ্রাসা এবং মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এ ছাড়া মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় বনানী সেনাবাহিনীর কবরস্থান ও বনানী কবরস্থানে দোয়া করা হয়। গুলশানের আজাদ মসজিদেও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ হাউজিং এলাকার ৫ নম্বর রোডে অবস্থিত মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি অসহায় ও দুস্থ মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

বাদ জুমা কোরআনখানি ও দোয়া

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মসজিদ ও এতিমখানায় বাদ জুমা পবিত্র কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজনে মরহুমের পরিবারের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং স্মৃতি পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ও মরহুমের ছেলে আনিক ইনতেসার আহমেদ বলেন, ‘আমার বাবার রেখে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আমি পরিচালনা করছি। আমি দেশবাসীসহ সবার কাছে আমার বাবার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করছি।’

স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান মঞ্জুর বলেন, ‘প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ইফতি ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অসহায় মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। আমরা সবার কাছে মরহুমের জন্য দোয়া কামনা করছি। মহান আল্লাহপাক যেন তাঁকে জান্নাতবাসী করেন।’

শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিতি

মরহুম ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ (ইফতি) তাঁর কর্মজীবনে শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

তাঁর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল, এতিমদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং অসহায়-দুস্থ মানুষের সহায়তার মধ্য দিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন পরিবারের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্মৃতি পরিষদের সংশ্লিষ্টরা।