ফিফার প্রস্তাবে বাংলাদেশের জন্য বড় সুখবর, মিলতে পারে কোটি কোটি টাকা
- আপডেট সময় : ০৪:৪০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার আর্থিক রিজার্ভের একটি অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছে। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে ২০২৭–৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের প্রত্যেকের জন্য অন্তত ১ কোটি মার্কিন ডলার করে বরাদ্দের সুযোগ তৈরি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ফুটবলও পেতে পারে বড় অঙ্কের বাড়তি অর্থ।
২১১ সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব
বর্তমানে ফিফার রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার চেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মনতালিয়ানি ২০২৭–৩০ চক্রে প্রতিটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের জন্য অন্তত ১০ মিলিয়ন ডলার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মোট প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার বিতরণের সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাদেশের ফুটবলেও আসতে পারে বাড়তি অর্থ
বাংলাদেশ ফিফার ২১১ সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের একটি। তাই প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও এই অর্থ পাওয়ার আওতায় আসতে পারে।
তবে এখনই বাফুফে নির্দিষ্ট ১০ মিলিয়ন ডলার পাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। অর্থের পরিমাণ, ব্যবহারের ক্ষেত্র এবং বরাদ্দের শর্ত ফিফার পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
অতিরিক্ত অর্থায়নে সমর্থন ইনফান্তিনোর
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও সদস্য দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থায়নের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। ছয় কনফেডারেশনের সভাপতিদের কাছে পাঠানো চিঠিতে তিনি যথাযথ প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা এবং নিরীক্ষাযোগ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থায়নের পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।
তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো অর্থের অঙ্কের প্রতিশ্রুতি দেননি।
১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভা
প্রস্তাবটি নিয়ে আগামী ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ফিফা মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রমকে বিভিন্ন প্রস্তাব একত্র করে আর্থিক মূল্যায়ন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফাও বাড়তি অর্থায়নের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছেন। ফলে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নেও বাড়তি অর্থ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে বাফুফে শেষ পর্যন্ত কত অর্থ পাবে, কোন খাতে তা ব্যয় করা যাবে এবং কী শর্তে অর্থ ছাড় করা হবে—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ফিফা কাউন্সিলের অনুমোদনের পর।
























