স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে ঢালাও মিডিয়া ট্রায়াল গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ঢালাও মিডিয়া ট্রায়াল গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, সেবাদাতা ও জনগণের মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের যথাযথ সম্মান দিয়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) আয়োজিত ‘ট্রেনিং অব ডক্টরস অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসায় গুরুত্ব
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো মানুষ যাতে চিকিৎসার অভাবে কিংবা ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে প্রাণ না হারান, সে লক্ষ্যেই বিজ্ঞানভিত্তিক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্টের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসকদের দক্ষ করে তোলা গেলে রোগীর মৃত্যুহার কমানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।
ডেঙ্গুতে ৬৩ হাজারের বেশি হাসপাতালে ভর্তি
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৬২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৯ হাজার ৮৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, রোগীর চাপের মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রচেষ্টায় আক্রান্তদের প্রায় ৯৯ শতাংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
৪০ জেলায় ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ
অনুষ্ঠানে মূল প্রশিক্ষণের আগে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের উদ্যোগে প্রায় সাড়ে ৩৫০ জন সিনিয়র চিকিৎসককে ‘ট্রেইনার্স ট্রেনিং’ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব চিকিৎসক এখন দেশের ৪০টি জেলায় একযোগে ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সিভিল সার্জন এবং হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিনিধিরা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা এবং জটিলতা মোকাবিলায় চিকিৎসকদের দক্ষতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
























