০৩:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানের সব এয়ারলাইন বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানের সব এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ইরানের বিমান সংস্থাগুলোকে সেবা দেওয়া অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। তার এই বক্তব্যের খবর প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

যেসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি

বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু ইরানি এয়ারলাইন্স নয়, বিদেশে তাদের কার্যক্রমে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর, জ্বালানি সরবরাহকারী, ল্যান্ডিং ও অবতরণ সেবা প্রদানকারী এবং টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান ইরানি এয়ারলাইন্সকে সেবা দিলে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করার কথা জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

অর্থাৎ, ইরানি কোনো বিমান বিদেশের কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাকে জ্বালানি, ল্যান্ডিং সেবা বা টিকিট বিক্রির মতো সহযোগিতা না দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র।

দীর্ঘদিন ধরেই সংকটে ইরানের বিমান খাত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাত আগে থেকেই সংকটে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটির এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য নতুন উড়োজাহাজ কেনা কঠিন হয়েছে। একইভাবে প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সেবাও ব্যাহত হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বরের শুরুতেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

চীনের ওপরও নজর যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপটি এমন সময়ে ঘোষণা করা হলো, যখন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে।

ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহযোগী ও কূটনৈতিক মিত্র চীন। ফলে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপের মধ্যে রাখতে বেইজিংয়ের সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বেসেন্ট দাবি করেছেন, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের বিষয়ে চীনা কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্রিয়ার সঙ্গে ‘পুরোপুরি যুক্ত’। দেশটির শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

তবে চীন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। বরং বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তারা নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। একই সঙ্গে কোনো দেশের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞারও বিরোধিতা করে আসছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানের সব এয়ারলাইন বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ০১:৩৫:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানের সব এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ইরানের বিমান সংস্থাগুলোকে সেবা দেওয়া অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। তার এই বক্তব্যের খবর প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

যেসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি

বেসেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু ইরানি এয়ারলাইন্স নয়, বিদেশে তাদের কার্যক্রমে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর, জ্বালানি সরবরাহকারী, ল্যান্ডিং ও অবতরণ সেবা প্রদানকারী এবং টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান ইরানি এয়ারলাইন্সকে সেবা দিলে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করার কথা জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

অর্থাৎ, ইরানি কোনো বিমান বিদেশের কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাকে জ্বালানি, ল্যান্ডিং সেবা বা টিকিট বিক্রির মতো সহযোগিতা না দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্র।

দীর্ঘদিন ধরেই সংকটে ইরানের বিমান খাত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান চলাচল খাত আগে থেকেই সংকটে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশটির এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য নতুন উড়োজাহাজ কেনা কঠিন হয়েছে। একইভাবে প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সেবাও ব্যাহত হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বরের শুরুতেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমান খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

চীনের ওপরও নজর যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপটি এমন সময়ে ঘোষণা করা হলো, যখন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে।

ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহযোগী ও কূটনৈতিক মিত্র চীন। ফলে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপের মধ্যে রাখতে বেইজিংয়ের সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বেসেন্ট দাবি করেছেন, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের বিষয়ে চীনা কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্রিয়ার সঙ্গে ‘পুরোপুরি যুক্ত’। দেশটির শীর্ষ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।

তবে চীন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। বরং বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তারা নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। একই সঙ্গে কোনো দেশের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞারও বিরোধিতা করে আসছে।