০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্লট দখলের মামলায় সাক্ষ্য শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে গুলশান-২ আবাসিক এলাকার ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও বাফুফের সাবেক সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এদিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত জবানবন্দি দেন।

বাদীকে জেরা, পরবর্তী শুনানি নভেম্বরে

জবানবন্দি শেষে আসামি মাহবুবুল হকের পক্ষে আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বাদীকে জেরা শুরু করেন। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত বাকি জেরার জন্য আগামী ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলায় আরও যারা আসামি

সালাম মুর্শেদী ছাড়াও মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ।

এ ছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছারও মামলার আসামি।

যেভাবে মামলায় সালাম মুর্শেদী যুক্ত হন

গুলশানে পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। তখন সালাম মুর্শেদীকে মামলায় আসামি করা হয়নি।

পরে তদন্ত শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এবং সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। অভিযোগে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর, হোল্ডিং-২৯, রোড-১০৪-এর ২৭ কাঠা প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় ছিল।

দুদকের দাবি, সম্পত্তিটি অবমুক্ত না করেই আসামিরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করা হয়।

এদিকে, গত বছরের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্লট দখলের মামলায় সাক্ষ্য শুরু

আপডেট সময় : ০২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে গুলশান-২ আবাসিক এলাকার ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও বাফুফের সাবেক সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। এদিন মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত জবানবন্দি দেন।

বাদীকে জেরা, পরবর্তী শুনানি নভেম্বরে

জবানবন্দি শেষে আসামি মাহবুবুল হকের পক্ষে আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বাদীকে জেরা শুরু করেন। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত বাকি জেরার জন্য আগামী ১ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ৬ জুলাই মামলাটিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

মামলায় আরও যারা আসামি

সালাম মুর্শেদী ছাড়াও মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ।

এ ছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছারও মামলার আসামি।

যেভাবে মামলায় সালাম মুর্শেদী যুক্ত হন

গুলশানে পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। তখন সালাম মুর্শেদীকে মামলায় আসামি করা হয়নি।

পরে তদন্ত শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এবং সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। অভিযোগে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর, হোল্ডিং-২৯, রোড-১০৪-এর ২৭ কাঠা প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় ছিল।

দুদকের দাবি, সম্পত্তিটি অবমুক্ত না করেই আসামিরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করা হয়।

এদিকে, গত বছরের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।