০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, সদর উপজেলার কাগমারা এলাকার আফজাল ফকিরের ছেলে মো. আজাদ এবং দ্যাইনা এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে শাহজাহান।

আদালত তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

চারজনের যাবজ্জীবন

মামলায় মো. সুজন, ছানোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও রুজবেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সুজন ও ছানোয়ার কারাগারে রয়েছেন। শফিকুল ইসলাম ও রুজবেল পলাতক।

এ ছাড়া মামলার অপর আসামি সঞ্জিত ঘোষকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

যেভাবে হত্যা করা হয় ফারুককে

মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী।

ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।

পুনঃতদন্তের পর অভিযোগপত্র

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। তবে ওই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদী লাভলু মিয়া। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

পুনঃতদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডি আদালতে আবার অভিযোগপত্র জমা দেয়। সেখানেও আগের আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

পরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, সদর উপজেলার কাগমারা এলাকার আফজাল ফকিরের ছেলে মো. আজাদ এবং দ্যাইনা এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে শাহজাহান।

আদালত তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

চারজনের যাবজ্জীবন

মামলায় মো. সুজন, ছানোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও রুজবেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সুজন ও ছানোয়ার কারাগারে রয়েছেন। শফিকুল ইসলাম ও রুজবেল পলাতক।

এ ছাড়া মামলার অপর আসামি সঞ্জিত ঘোষকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

যেভাবে হত্যা করা হয় ফারুককে

মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী।

ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।

পুনঃতদন্তের পর অভিযোগপত্র

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। তবে ওই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদী লাভলু মিয়া। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটির পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

পুনঃতদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডি আদালতে আবার অভিযোগপত্র জমা দেয়। সেখানেও আগের আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

পরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।