১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন রণতরীতে সৈন্যদের সংঘর্ষে ৭ নিহতের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭০৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে সৈন্যদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার দাবি উঠেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ ও তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো সাতজন নিহত হওয়ার তথ্যের স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কারণে রণতরীটির নাবিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একপর্যায়ে তা সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মোতায়েন নিয়ে রণতরীতে থাকা সৈন্যদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধানের একজন উপদেষ্টা রণতরীতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ওই উপদেষ্টার বক্তব্যের সময় কিছু সৈন্য বিক্ষোভ দেখান। পরে হাতাহাতি এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এতে সাতজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে।

তবে এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও সংঘর্ষের প্রকৃতি নিয়ে দাবিটি আপাতত যাচাই-সাপেক্ষ।

এদিকে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ে রণতরীটি টানা ২০৭ দিন সমুদ্রে অবস্থান করে আগের একটি রেকর্ড ভেঙেছিল। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার কারণে নাবিকদের মানসিক চাপ ও কর্মপরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে রণতরীটির একজন নাবিক সামরিক অভিযান চলাকালে আহত হওয়ার ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে। তবে সেটি ছিল দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা এবং বর্তমান সাতজন নিহত হওয়ার দাবির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মার্কিন রণতরীতে সৈন্যদের সংঘর্ষে ৭ নিহতের দাবি

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনে সৈন্যদের মধ্যে সংঘর্ষে সাতজন নিহত হওয়ার দাবি উঠেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ ও তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো সাতজন নিহত হওয়ার তথ্যের স্বাধীন কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার কারণে রণতরীটির নাবিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একপর্যায়ে তা সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।

তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মোতায়েন নিয়ে রণতরীতে থাকা সৈন্যদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এ-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধানের একজন উপদেষ্টা রণতরীতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ওই উপদেষ্টার বক্তব্যের সময় কিছু সৈন্য বিক্ষোভ দেখান। পরে হাতাহাতি এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এতে সাতজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে।

তবে এই দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে নিহতের সংখ্যা ও সংঘর্ষের প্রকৃতি নিয়ে দাবিটি আপাতত যাচাই-সাপেক্ষ।

এদিকে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জুলাইয়ে রণতরীটি টানা ২০৭ দিন সমুদ্রে অবস্থান করে আগের একটি রেকর্ড ভেঙেছিল। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার কারণে নাবিকদের মানসিক চাপ ও কর্মপরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে রণতরীটির একজন নাবিক সামরিক অভিযান চলাকালে আহত হওয়ার ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে। তবে সেটি ছিল দুর্ঘটনাজনিত ঘটনা এবং বর্তমান সাতজন নিহত হওয়ার দাবির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।