০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লোকসংগীতের দৌলতে খ্যাতি পাচ্ছে ফিনল্যান্ডের কাউস্টিনেন

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১৮২২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বায়নের চাপে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে৷ ফিনল্যান্ডের এক অঞ্চলে লোকসংগীত, লোকনৃত্য, বাদ্যযন্ত্র ও ছন্দের টানে এখনো অনেক মানুষ ছুটে যাচ্ছেন৷ এক উৎসবে সেই ঐতিহ্য জীবন্ত হয়ে ওঠে৷

বিশ্বায়নের চাপে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে৷ ফিনল্যান্ডের এক অঞ্চলে লোকসংগীত, লোকনৃত্য, বাদ্যযন্ত্র ও ছন্দের টানে এখনো অনেক মানুষ ছুটে যাচ্ছেন৷ এক উৎসবে সেই ঐতিহ্য জীবন্ত হয়ে ওঠে৷

আপাতদৃষ্টিতে ফিনল্যান্ডের কেন্দ্রভাগে কাউস্টিনেন অঞ্চল আকর্ষণহীন মনে হলেও বাস্তবে সেই ধারণা ঠিক নয়৷ সেখানে সন্ধায় মনোরঞ্জনের খাসা ব্যবস্থা৷ কাউস্টিনেন দূর-দূরান্তেও আমুদে সাংগীতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত৷ সেখানকার তরুণ প্রজন্মের কাছেও সেই লংগীত বেশ জনপ্রিয়৷

১৬ বছর বয়সি এর্কি অন্য টিনএজারদের মতোই অনেক সময় ল্যাপটপ ঘেঁটে কাটায় এবং গিটার বাজায়৷ তবে বেহালাকেই সে বেশি গুরুত্ব দেয়৷ সে বলে, ‘‘যখনই আমি স্কুলে বেহালা বাজাতে চাই আমার কয়েকজন বন্ধু বলে, না না দয়া করে একেবারেই কোরো না৷ কিন্তু মনে হয় আজকাল আমার বন্ধুদের জন্যও সেটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে৷ আমি কিছু লোকগীতি বাজাই৷”

এর্কি প্রতি বছর কাউস্টিনেনের লোকসংগীত অনুরাগীদের সঙ্গে এক সপ্তাহ ধরে সারা দিনের রিহার্সালে যোগ দেয়৷ সবার জন্য উন্মুক্ত সেই উৎসবে সবচেয়ে তরুণ লোকসংগীত অনুরাগীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ গোটা ফিনল্যান্ড থেকে মানুষ এসে সেই উৎসবে যোগ দেন৷

বিভিন্ন জায়গায় ঐতিহ্যগত লোকসংগীত লোপ পাচ্ছে৷ তবে কাউস্টিনেনের পরিস্থিতি আলাদা৷ ফিনিশ লোকসংগীত ইনস্টিটিউটের মাটি হাকামেকি মনে করেন, ‘‘কাউস্টিনেনের এমন ধরনের সুখ্যাতি এবং সংগীত, ঐতিহ্য, লোকনৃত্য ও উৎসব না থাকলে পরিস্থিতি একেবারে অন্যরকম হতো৷ লোকসংগীত আসলে কিন্তু ভবিষ্যতের সংগীত৷”

এর্কি সেইসঙ্গে অতীত সম্পর্কেও আগ্রহী৷ তার ৭৩ বছর বয়সি পিতামহ মাউনো ইয়েরভেলে কাউস্টিনেনের বাদ্যযন্ত্র ও অভিনব ছন্দের ইতিহাস সম্পর্কে সব কিছু জানেন৷ তাঁর বাবাও সংগীতশিল্পী ছিলেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সে যুগে তার গ্রীষ্মে বিয়ের অনুষ্ঠানে বাজনা বাজিয়েছেন৷ কমপক্ষে সারা দিন, কখনো এমনকি তিন দিন ধরে অনুষ্ঠান চলেছে৷”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক প্রকল্পের আওতায় সাংস্কৃতিক গবেষকরা ইউরোপের উত্তরাঞ্চলে এমন ধরনের ‘স্টোরি’ সংগ্রহ করছেন৷ আইসিএইচ নর্থ প্রকল্পের সারা কাল-ফ্র্যোইড্যো বলেন, ‘‘এক জীবন্ত ঐতিহ্য এমন এক প্রক্রিয়া যার বিকাশ ঘটে চলেছে এবং এখনো চালু আছে৷ কোনো কিছু আর্কাইভে রাখার অর্থ, সেটা আর জীবন্ত ঐতিহ্য নয়৷ অনেকটা মিউজিয়ামের মতো৷”

কাউস্টিনেন এমন এক জায়গা, যা ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে৷ বিদায়ী কনসার্টের সময়ে আবেগের ঝড় উঠলো৷

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লোকসংগীতের দৌলতে খ্যাতি পাচ্ছে ফিনল্যান্ডের কাউস্টিনেন

আপডেট সময় : ১১:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বিশ্বায়নের চাপে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে৷ ফিনল্যান্ডের এক অঞ্চলে লোকসংগীত, লোকনৃত্য, বাদ্যযন্ত্র ও ছন্দের টানে এখনো অনেক মানুষ ছুটে যাচ্ছেন৷ এক উৎসবে সেই ঐতিহ্য জীবন্ত হয়ে ওঠে৷

বিশ্বায়নের চাপে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে৷ ফিনল্যান্ডের এক অঞ্চলে লোকসংগীত, লোকনৃত্য, বাদ্যযন্ত্র ও ছন্দের টানে এখনো অনেক মানুষ ছুটে যাচ্ছেন৷ এক উৎসবে সেই ঐতিহ্য জীবন্ত হয়ে ওঠে৷

আপাতদৃষ্টিতে ফিনল্যান্ডের কেন্দ্রভাগে কাউস্টিনেন অঞ্চল আকর্ষণহীন মনে হলেও বাস্তবে সেই ধারণা ঠিক নয়৷ সেখানে সন্ধায় মনোরঞ্জনের খাসা ব্যবস্থা৷ কাউস্টিনেন দূর-দূরান্তেও আমুদে সাংগীতিক ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত৷ সেখানকার তরুণ প্রজন্মের কাছেও সেই লংগীত বেশ জনপ্রিয়৷

১৬ বছর বয়সি এর্কি অন্য টিনএজারদের মতোই অনেক সময় ল্যাপটপ ঘেঁটে কাটায় এবং গিটার বাজায়৷ তবে বেহালাকেই সে বেশি গুরুত্ব দেয়৷ সে বলে, ‘‘যখনই আমি স্কুলে বেহালা বাজাতে চাই আমার কয়েকজন বন্ধু বলে, না না দয়া করে একেবারেই কোরো না৷ কিন্তু মনে হয় আজকাল আমার বন্ধুদের জন্যও সেটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে৷ আমি কিছু লোকগীতি বাজাই৷”

এর্কি প্রতি বছর কাউস্টিনেনের লোকসংগীত অনুরাগীদের সঙ্গে এক সপ্তাহ ধরে সারা দিনের রিহার্সালে যোগ দেয়৷ সবার জন্য উন্মুক্ত সেই উৎসবে সবচেয়ে তরুণ লোকসংগীত অনুরাগীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ গোটা ফিনল্যান্ড থেকে মানুষ এসে সেই উৎসবে যোগ দেন৷

বিভিন্ন জায়গায় ঐতিহ্যগত লোকসংগীত লোপ পাচ্ছে৷ তবে কাউস্টিনেনের পরিস্থিতি আলাদা৷ ফিনিশ লোকসংগীত ইনস্টিটিউটের মাটি হাকামেকি মনে করেন, ‘‘কাউস্টিনেনের এমন ধরনের সুখ্যাতি এবং সংগীত, ঐতিহ্য, লোকনৃত্য ও উৎসব না থাকলে পরিস্থিতি একেবারে অন্যরকম হতো৷ লোকসংগীত আসলে কিন্তু ভবিষ্যতের সংগীত৷”

এর্কি সেইসঙ্গে অতীত সম্পর্কেও আগ্রহী৷ তার ৭৩ বছর বয়সি পিতামহ মাউনো ইয়েরভেলে কাউস্টিনেনের বাদ্যযন্ত্র ও অভিনব ছন্দের ইতিহাস সম্পর্কে সব কিছু জানেন৷ তাঁর বাবাও সংগীতশিল্পী ছিলেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সে যুগে তার গ্রীষ্মে বিয়ের অনুষ্ঠানে বাজনা বাজিয়েছেন৷ কমপক্ষে সারা দিন, কখনো এমনকি তিন দিন ধরে অনুষ্ঠান চলেছে৷”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক প্রকল্পের আওতায় সাংস্কৃতিক গবেষকরা ইউরোপের উত্তরাঞ্চলে এমন ধরনের ‘স্টোরি’ সংগ্রহ করছেন৷ আইসিএইচ নর্থ প্রকল্পের সারা কাল-ফ্র্যোইড্যো বলেন, ‘‘এক জীবন্ত ঐতিহ্য এমন এক প্রক্রিয়া যার বিকাশ ঘটে চলেছে এবং এখনো চালু আছে৷ কোনো কিছু আর্কাইভে রাখার অর্থ, সেটা আর জীবন্ত ঐতিহ্য নয়৷ অনেকটা মিউজিয়ামের মতো৷”

কাউস্টিনেন এমন এক জায়গা, যা ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে৷ বিদায়ী কনসার্টের সময়ে আবেগের ঝড় উঠলো৷

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ