চাঁদপুরের ২৫ প্রার্থী তাদের জামানত হারানো নিয়ে আলোচনা
- আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
দীর্ঘদিন পর গণতন্ত্রে ফেরার ভোট উৎসব শেষ হয়েছে। নির্বাচনে চাঁদপুরের ২৫ প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সেই প্রার্থীর জামানত রক্ষা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় ভাবে চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ।
চাঁদপুরে ৫টি সংসদীয় আসনে ৩৬ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলো। এর মধ্যে ৫টি আসনে ১৪ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৫ প্রার্থী হারিয়েছেন জামানত। জামানত রক্ষা হয়েছে নির্বাচিত ৫ প্রার্থীসহ মাত্র ৬ জনের । যার মধ্যে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ৩ জন, লিবারের ডেমক্রেটিক পার্টি এলডিপির প্রার্থী ২ জন আর বিএনপির প্রার্থী ১ জন।
জামানত হারানোর তালিকায় রয়েছে চেয়ার প্রতীকের দল বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এমন হোসেন মিয়ার মতো প্রার্থী।
জামানত হারানো নিয়ে ভোটাররা বলছেন রাজনৈতিক দল গুলো গ্রহণযোগ্য এবং জনপ্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে না পারার কারণে এমটাই হয়েছে।
চাঁদপুরে জামানত হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির ৪ জন , ইসলামী আন্দোলনের ৪ জন , ইসলামিক ফ্রন্টের ৩ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৩ জন , গণফোরামের ৩ জনসহ, বাংলাদেশ কমিনিষ্ট পার্টি, নাগরিক এক্য, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, লেবার পার্টি, রিপাবলিক পার্টিসহ ২ স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভরাডুবি হওয়া প্রার্থীরা তাদের দলের কর্মী ও নির্বাচনী এজেন্টর চেয়েও কম ভোট পেয়েছে । প্রাপ্ত ভোটের হিসেবে চার সংখ্যা পার হতে পরে নাই ১৬ জন প্রার্থী। যাদের ভোটের সংখ্যা এক হাজারের নীচে। জামানত হারানো প্রার্থীরা বলছেন অবশ্য ভিন্ন কথা।
সুজন বলছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নে সচেতন হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে। পাশপাশি আরো বেশি জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। তা হলে নির্বাচনে ভরাডুবি ঠেকানো যাবে।
এবারের নির্বাচনে চাঁদপুরে মোট ভোটার ছিলো ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৯০ জন। ভোট প্রয়োগ করেন ১২ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৬ জন।



















