চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার গায়েব, সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটি। বন্দরের নিরাপত্তা, পণ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক তদারকি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে কমিটি। একইসঙ্গে বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
বৈঠকে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ, দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তি, উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যকারিতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা ও কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
কনটেইনার গায়েবের ঘটনায় বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে বৈঠকে বিশেষ আলোচনা হয়। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গায়েব হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম বন্দর’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আলোচনায় আসে।
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে বন্দরের নিরাপত্তা ও পণ্য ব্যবস্থাপনার যেকোনো দুর্বলতা ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সরবরাহব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে পণ্যভর্তি কনটেইনারের অবস্থান ও হেফাজত নিশ্চিত করা বন্দরের কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এমন পরিস্থিতিতে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, কনটেইনারের হিসাব সংরক্ষণ এবং পণ্য ওঠানো-নামানোর প্রক্রিয়ায় নজরদারি কার্যকর রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে গায়েব হওয়া কনটেইনারগুলোর সংখ্যা, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কিংবা এসব ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিষয়ে বৈঠকের আলোচনাসংক্রান্ত বিবরণে নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
কমিটির আলোচনায় বন্দরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করা গেলে নজরদারি আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।
নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত সরানোর তাগিদ
চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর জোর দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। বন্দরে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকা পণ্য ও যানবাহন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি বন্দরের মূল্যবান জায়গা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে।
এ কারণে নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন চিহ্নিত করে দ্রুত নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি বা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে যাতে এসব পণ্য দীর্ঘদিন আটকে না থাকে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বিশেষ করে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিলাম প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে দাপ্তরিক সমন্বয় বাড়ানো গেলে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করা সহজ হবে।
একইসঙ্গে নিলামযোগ্য পণ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্বপূর্ণ। এতে বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমসের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমদানি করা পণ্যের ছাড়পত্র, কনটেইনার ব্যবস্থাপনা, নিলামযোগ্য পণ্য চিহ্নিত করা এবং দীর্ঘদিন আটকে থাকা চালান নিষ্পত্তির মতো কাজে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।
বৈঠকে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়। প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমানো গেলে বন্দরে আটকে থাকা পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সামগ্রিক কার্যক্রমে গতি আনা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। কনটেইনারের অবস্থান, পণ্যের হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর হলে ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়তে পারে।
তবে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের অভিযোগ যাচাইয়ের ব্যবস্থাও কার্যকর রাখা জরুরি। কমিটির আলোচনায় সামগ্রিকভাবে বন্দরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিন বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা
বৈঠকে শুধু চট্টগ্রাম বন্দর নয়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন কার্যক্রমও পর্যালোচনা করা হয়। তিনটি বন্দরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিশদভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে সরকারি অর্থের ব্যবহার, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং দীর্ঘদিন ধরে অনিষ্পন্ন থাকা নিরীক্ষা আপত্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ব্যয়ের যথাযথ হিসাব নিশ্চিত করা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ক্ষেত্রে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে আসা আপত্তিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন আপত্তি অনিষ্পন্ন থাকলে আর্থিক অনিয়মের প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ এবং দায়দায়িত্ব নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে কমিটি জমে থাকা নিরীক্ষা আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর জোর দিয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত পর্যালোচনা, যথাযথ নথিপত্র সংরক্ষণ এবং নিরীক্ষা আপত্তির বিষয়ে সময়মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল করা সম্ভব হবে।
মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম পর্যালোচনা
বৈঠকে মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। বন্দরগুলোর পরিচালন সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রকল্পের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে এসব কার্যক্রমের গুরুত্ব রয়েছে।
ড্রেজিংসহ বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয় করা হয়। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি, ব্যয়ের যৌক্তিকতা এবং প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জনের বিষয়গুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। প্রকল্পের উদ্দেশ্য অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা মূল্যায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কমিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে। কোনো প্রকল্পে অনিয়ম বা আর্থিক ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় নির্ধারণ করে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এতে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি অর্থের অপচয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
ব্যাংকে আটকে থাকা স্থায়ী আমানত ফেরত আনার আলোচনা
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন ব্যাংকে আটকে থাকা বা মেয়াদোত্তীর্ণ স্থায়ী আমানত দ্রুত ফেরত আনার বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনায় আসে। সরকারি অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আমানতের অবস্থা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
স্থায়ী আমানতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অর্থ ফেরত পেতে বিলম্ব হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে ব্যাংকে থাকা আমানতের হিসাব, মেয়াদ এবং অর্থ ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
কমিটির আলোচনায় এসব আমানত দ্রুত ফেরত আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে। পাশাপাশি সরকারি অর্থের নিরাপত্তা এবং আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা
কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।
এ ছাড়া বৈঠকে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্দরের নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ
বৈঠকের আলোচনায় বন্দরের নিরাপত্তা, কনটেইনার ব্যবস্থাপনা, নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যভর্তি কনটেইনার গায়েব হওয়ার ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ বন্দরের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থার ওপর নতুন করে নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।
একইসঙ্গে মোংলা ও পায়রা বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্প, ড্রেজিং কার্যক্রম এবং নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হয়েছে। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে দায় নির্ধারণের ওপর জোর দিয়েছে কমিটি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর নজরদারি এবং সময়মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কমিটির আলোচনায় উঠে আসা সুপারিশ ও নির্দেশনা কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং বন্দরের নিরাপত্তা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কতটা দৃশ্যমান উন্নতি আসে।





















