০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মাদক উদ্ধারের কাজে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে তাঁরা এ ঘটনার মুখে পড়েন। আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন।

আটক দুই পুলিশ সদস্য হলেন এএসআই ইমরান ও কনস্টেবল রোহিত। তাঁদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।

মাদক উদ্ধারে গিয়ে সীমান্তে প্রবেশ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওই দুই পুলিশ সদস্য আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় যান। সেখানে অভিযান পরিচালনার সময় নতুন কনস্টেবল রোহিত রাস্তা চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করেন।

ধাওয়া করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাঁকে আটক করেন বলে জানান ওসি।

কনস্টেবলকে ছাড়াতে গিয়ে আটক এএসআই

কনস্টেবল রোহিতকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে এএসআই ইমরানও আটকের শিকার হন। বিএসএফ তাঁকেও আটক করে নিয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় দুই পুলিশ সদস্যের আটকের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে বিএসএফ তাঁদের হেফাজতে নেয় এবং বর্তমানে তাঁরা কোথায় রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিএসএফের পক্ষ থেকেও এ ঘটনা সম্পর্কে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সীমান্তে দায়িত্ব পালনে সতর্কতার বিষয়টি সামনে

মাদক উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে সীমান্তের অন্য পাশে প্রবেশের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যের আটকের বিষয়টি সামনে এসেছে। সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান, সীমান্ত পিলার এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন এবং স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এদিকে, আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আলোচনার ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কুমিল্লার সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মাদক উদ্ধারের কাজে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে তাঁরা এ ঘটনার মুখে পড়েন। আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন।

আটক দুই পুলিশ সদস্য হলেন এএসআই ইমরান ও কনস্টেবল রোহিত। তাঁদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।

মাদক উদ্ধারে গিয়ে সীমান্তে প্রবেশ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক উদ্ধারের উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওই দুই পুলিশ সদস্য আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় যান। সেখানে অভিযান পরিচালনার সময় নতুন কনস্টেবল রোহিত রাস্তা চিনতে না পেরে এক মাদক কারবারির বাড়ির দিকে ধাওয়া করেন।

ধাওয়া করতে গিয়ে তিনি ভারতীয় সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর পিলার এলাকায় প্রবেশ করেন। পরে স্থানীয় মাদক কারবারিরা তাঁকে আটক করেন বলে জানান ওসি।

কনস্টেবলকে ছাড়াতে গিয়ে আটক এএসআই

কনস্টেবল রোহিতকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে এএসআই ইমরানও আটকের শিকার হন। বিএসএফ তাঁকেও আটক করে নিয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় দুই পুলিশ সদস্যের আটকের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে বিএসএফ তাঁদের হেফাজতে নেয় এবং বর্তমানে তাঁরা কোথায় রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুই পুলিশ সদস্যকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিএসএফের পক্ষ থেকেও এ ঘটনা সম্পর্কে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সীমান্তে দায়িত্ব পালনে সতর্কতার বিষয়টি সামনে

মাদক উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে সীমান্তের অন্য পাশে প্রবেশের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যের আটকের বিষয়টি সামনে এসেছে। সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান, সীমান্ত পিলার এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন এবং স্থানীয় পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এদিকে, আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আলোচনার ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।