০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের হাত থাকতে পারে, ইঙ্গিত মাস্কের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউক্রেনের সামরিক ড্রোনের স্যাটেলাইট সংযোগ ও গতির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভূমিকা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তাঁর বক্তব্যের পর ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে স্টারলিঙ্ক ও স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টারলিঙ্কের স্যাটেলাইট টার্মিনালগুলোর গতিসীমা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ মাইল বা প্রায় ১৬০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এই সীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে চলা ড্রোন ও অস্ত্র স্যাটেলাইট সংযোগ হারাতে পারে। এতে ইউক্রেনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ড্রোনের গতিসীমা নিয়ে উদ্বেগে ইউক্রেন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা এবং সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার ওপর নির্ভর করছে ইউক্রেন। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখা সম্ভব হয়।

তবে ড্রোনের গতিসীমা নির্ধারণের ফলে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির কর্মকর্তারা। বিশেষ করে দ্রুতগতির ড্রোনের মাধ্যমে রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইখাইলো ফেদোরোভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সীমাবদ্ধতা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ ধরনের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমকে জটিল করে তুলতে পারে।

স্টারশিল্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে: মাস্ক

ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের আহ্বানের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ইলন মাস্ক জানান, সামরিক কাজে ব্যবহৃত স্টারশিল্ড ব্যবস্থার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ মার্কিন সরকারের হাতে।

মাস্কের বক্তব্য অনুযায়ী, স্টারশিল্ড ব্যবস্থার গতি বা ব্যবহারের ওপর যেকোনো সীমাবদ্ধতা আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন সামরিক বাহিনী। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টেরও কর্তৃত্ব রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্টারলিঙ্ক একটি বাণিজ্যিক সেবা। এটি মূলত বেসামরিক ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি। আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে এই সেবা ব্যবহার করা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে মাস্কের বক্তব্য থেকে ড্রোনের গতিসীমা নির্ধারণে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে নির্দেশ দিয়েছেন—এমন কোনো বিষয় নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। বরং তাঁর মন্তব্যে এ ধরনের সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন সরকার ও সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উঠে এসেছে।

ওয়াশিংটন-কিয়েভ সম্পর্কে টানাপোড়েনের অভিযোগ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সেরহি বেসক্রেস্তনভ মনে করেন, ড্রোনের গতিসীমা কমানোর ঘটনা কেবল কাকতালীয় নয়। ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা অব্যাহত থাকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসন্তোষের খবরও সামনে এসেছে। জেলেনস্কির দাবি, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান সীমিত করার হুমকি দিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার এ দাবি অস্বীকার করেন ট্রাম্প।

এ পরিস্থিতিতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে ইউক্রেনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, যুদ্ধের ময়দানে ড্রোন পরিচালনা, লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা এবং সামরিক যোগাযোগ বজায় রাখতে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রাশিয়ার হামলায় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন লাখো মানুষ

এদিকে গত মঙ্গলবার রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে কয়েকজন নিহত হন। দেশটির সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়। এতে ইউক্রেনজুড়ে অন্তত ছয় লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বুধবার লন্ডন সফরে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির পর তিনি নিজেকে বিশ্বাসভঙ্গের শিকার বলে মনে করেছিলেন। সফরকালে তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ইউক্রেনে হালকা ও বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করার ঘোষণাও দেয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সব মিলিয়ে, ড্রোনের গতিসীমা নিয়ে বিতর্ক ইউক্রেনের সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ওপরও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে এই বিধিনিষেধ আরোপের পেছনে ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর সিদ্ধান্তে ট্রাম্পের হাত থাকতে পারে, ইঙ্গিত মাস্কের

আপডেট সময় : ১২:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ইউক্রেনের সামরিক ড্রোনের স্যাটেলাইট সংযোগ ও গতির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভূমিকা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তাঁর বক্তব্যের পর ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে স্টারলিঙ্ক ও স্টারশিল্ড স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টারলিঙ্কের স্যাটেলাইট টার্মিনালগুলোর গতিসীমা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ মাইল বা প্রায় ১৬০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এই সীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে চলা ড্রোন ও অস্ত্র স্যাটেলাইট সংযোগ হারাতে পারে। এতে ইউক্রেনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ড্রোনের গতিসীমা নিয়ে উদ্বেগে ইউক্রেন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা এবং সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবার ওপর নির্ভর করছে ইউক্রেন। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেনাদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখা সম্ভব হয়।

তবে ড্রোনের গতিসীমা নির্ধারণের ফলে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দেশটির কর্মকর্তারা। বিশেষ করে দ্রুতগতির ড্রোনের মাধ্যমে রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইখাইলো ফেদোরোভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সীমাবদ্ধতা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ ধরনের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমকে জটিল করে তুলতে পারে।

স্টারশিল্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে: মাস্ক

ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের আহ্বানের জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ইলন মাস্ক জানান, সামরিক কাজে ব্যবহৃত স্টারশিল্ড ব্যবস্থার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ মার্কিন সরকারের হাতে।

মাস্কের বক্তব্য অনুযায়ী, স্টারশিল্ড ব্যবস্থার গতি বা ব্যবহারের ওপর যেকোনো সীমাবদ্ধতা আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন সামরিক বাহিনী। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টেরও কর্তৃত্ব রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্টারলিঙ্ক একটি বাণিজ্যিক সেবা। এটি মূলত বেসামরিক ও প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি। আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে এই সেবা ব্যবহার করা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উপযুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে মাস্কের বক্তব্য থেকে ড্রোনের গতিসীমা নির্ধারণে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে নির্দেশ দিয়েছেন—এমন কোনো বিষয় নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। বরং তাঁর মন্তব্যে এ ধরনের সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন সরকার ও সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উঠে এসেছে।

ওয়াশিংটন-কিয়েভ সম্পর্কে টানাপোড়েনের অভিযোগ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা সেরহি বেসক্রেস্তনভ মনে করেন, ড্রোনের গতিসীমা কমানোর ঘটনা কেবল কাকতালীয় নয়। ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা অব্যাহত থাকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অসন্তোষের খবরও সামনে এসেছে। জেলেনস্কির দাবি, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান সীমিত করার হুমকি দিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার এ দাবি অস্বীকার করেন ট্রাম্প।

এ পরিস্থিতিতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে ইউক্রেনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, যুদ্ধের ময়দানে ড্রোন পরিচালনা, লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা এবং সামরিক যোগাযোগ বজায় রাখতে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রাশিয়ার হামলায় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন লাখো মানুষ

এদিকে গত মঙ্গলবার রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে কয়েকজন নিহত হন। দেশটির সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়। এতে ইউক্রেনজুড়ে অন্তত ছয় লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বুধবার লন্ডন সফরে গিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির পর তিনি নিজেকে বিশ্বাসভঙ্গের শিকার বলে মনে করেছিলেন। সফরকালে তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ইউক্রেনে হালকা ও বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করার ঘোষণাও দেয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সব মিলিয়ে, ড্রোনের গতিসীমা নিয়ে বিতর্ক ইউক্রেনের সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ওপরও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে এই বিধিনিষেধ আরোপের পেছনে ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশ ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।