হার দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুম শুরু করল দুই জায়ান্ট

0

হার দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুম শুরু করল দুই জায়ান্ট বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর লক্ষ্যভেদের পরও ইয়াং বয়েজের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে রেড ডেভিলরা। আর বায়ার্ন মিউনিখের কাছে পাত্তাই পায়নি কাতালানরা। হেরেছে ৩-০ গোলে। তবে, আলাদা ম্যাচে জিতেছে চেলসি-জুভেন্টাস।

ম্যান ইউ জার্সিতে ইংলিশ লিগে প্রত্যাবর্তনটা রাজসিক ছিল রোনালদোর। চ্যাম্পিয়নস লিগেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পর্তুগিজ যুবরাজ। গোল করেছেন, রেকর্ড-ও স্পর্শ করেছেন, শুধু দলের হারটা এড়াতে পারেননি সিআরসেভেন।

চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ইকার ক্যাসিয়াসের ১৭৭ ম্যাচ এদিন স্পর্শ করেন রোনালদো। ম্যাচকে আরো স্মরণীয় করে রাখার মুহূর্তটি পেয়ে যান ১৩তম মিনিটে। ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে স্কোর করেন রোনালদো। প্রথমার্ধে আরো একটি সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে বাধার দেয়াল ইয়াং বয়েজ গোলরক্ষক।

তবে, ম্যাচের বাকি সময়টা কেটেছে সুইস ক্লাবটির আধিপত্যে। বিরতির আগে প্রথম ধাক্কা খায় ম্যানইউ। ইয়াং বয়েজ মিডফিল্ডার পেরেইরাকে ফাউল করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ওয়ান বিসাকা।
যে সুযোগে ৬৬ মিনিটে এনগামালেও সমতায় ফেরান ইয়ং বয়েজকে।

ম্যাচ যখন সমতায় শেষ হওয়ার উপক্রম। তখন খল নায়ক ম্যান ইউ’র জেসি লিংগার্ড। যার ক্ষমার অযোগ্য ভুলে কপাল পুড়ে রেডডেভিলদের। এ মিডফিল্ডারের বাড়ানো দুর্বল ব্যাকপাসের সুযোগ নিয়ে ইয়ং বয়েজকে পূর্ণ পয়েন্ট এনে দেন থিওসন জর্ডান।

প্রথম দিনের সবচেয়ে বড় ম্যাচ বার্সেলোনা-বায়ার্ন মিউনিখ। তবে মাঠে খেলায় অসম লড়াইয়ের গল্প। লিওনেল মেসি নেই। নেই আতোয়ান গ্রিজম্যান। তাতে ছন্দহীন ফুটবলের প্রদর্শনী বার্সার। তবে বায়ার্ন ঠিক তাদের মতোই। ম্যাচজুড়ে স্প্যানিশ ক্লাবটিকে কোণঠাসা করে রাখে জার্মান জায়ান্ট।

৮-২ ম্যাচের ক্ষতে প্রলেপ তো দূরে, সেই আঘাতে আরো এক খোঁচা দিল বাভারিয়ানরা। প্রথমার্ধে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন থমাস মুলার।

পরের অর্ধটাও শুধুই বায়ার্ন মিউনিখের। যেখানে একই স্পটলাইট কেড়ে নেন রবার্ট লেভানদোস্কি। ৫৬
আর ৮৫ মিনিটে জোড়া গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন পোলিশ ফরোয়ার্ড।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন