সোনারগাঁও কারুশিল্প যাদুঘরের শিল্পীরা কাজ হারিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে

0

করোনাকালে প্রায় ছয় মাস ধরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও কারুশিল্প যাদুঘর বন্ধ থাকায় শিল্পীরা কাজ হারিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের পদভারে মুখর থাকতো সোনারগাঁও কারুশিল্প যাদুঘর। সোনারগাঁও যাদুঘরটি দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করতে নানা ধরনের পরিকল্পনার কথা জানালেন যাদুঘর কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। পাশাপাশি জাদুঘর সংরক্ষণে ১শ’ ৩৪ কোটি টাকার অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্বদিকে সবুজের সমারোহ সোনারগাঁয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সোনালি অতীতের এক সুবর্ণ অধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি। গবেষকদের মতে, সোনারগাঁয়ের প্রাচীন নাম ছিল সুবর্ণবীথি বা সুবর্ণগ্রাম। এই সুবর্ণগ্রাম থেকেই মুসলিম আমলের সোনারগাঁও নামের উদ্ভব।

১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বিশাল কারুশিল্প যাদুঘর প্রতিষ্ঠা করে সরকার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় স্থানটি বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালের আগেও সৌন্দর্য পিপাষুদের কাছে ছিলো বেশ আকর্ষনীয়।

সোনারগাঁও এর এই কারুশিল্প যাদুঘরে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী দেশ-বিদেশে বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু করোনার প্রভাবে কাজকর্ম বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার শিল্পী। তারা মানবেত জীবন-যাপন করছেন।

সেখানে দায়িত্ত্বরত কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই ঐতিহাসিক কারুশিল্প খুলে দেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে মন্ত্রনালয়ে।

সোনারগাঁও কারুশিল্প যাদুঘর ও পানাম নগরকে সাধারণ দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষনীয় করে গড়ে তুলতে নানা পরিকল্পনার কথা জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য।

“বড় সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন