সেচ নির্ভর বোরোর বিকল্প হিসেবে আউশ ধানের চাষ করছে নীলফামারীর কৃষক

0

বৃষ্টির পানি কাজে লাগিয়ে, সেচ নির্ভর বোরোর বিকল্প হিসেবে আউশ ধানের চাষ করছে নীলফামারীর কৃষক। পরিচর্যা কম লাগায় স্বল্পমেয়াদী এ ধান চাষে ঝুঁকছে তারা। করোনার কারনে সম্ভাব্য বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবেলার পথ দেখছেন, কৃষি কর্মকর্তারা। এদিকে, ময়মনসিংহে আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। কম সময় ও অল্প খরচে বেশি ফলন হওয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ ধান।

চার বিঘা জমিতে আউশ ধান চাষ করেছেন নীলফামারী সদরের আব্দুল হামিদ। তার মতো ওই গ্রামের আরও অনেকেই বোরোর বিকল্প হিসেবে চাষ করেছেন এই ধান। স্বল্পমেয়াদী হওয়ায় বছরে তিন ফসল পাচ্ছে তারা। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুন। এই সময়টাতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। যে কারণে সেচ ছাড়াই আউশ ধান চাষ করা যায়। কম সময় ও অল্প খরচে স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছে কৃষক।

এ ধান চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন বলে জানান, কৃষি কর্মকর্তারা। জেলায় এবার মোট এক হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ করা হয়েছে। এদিকে, পতিত জমিতে কম সময়ে ও অল্প খরচে আউশ ধানের অধিক ফলন হওয়ায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে ময়মনসিংহের কৃষক। অনাবাদী জমিকে চাষের আওতায় আনার লক্ষ্যেই এ জাতের ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। একর প্রতি কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ মন ধান পাওয়া যায় বলে জানান, উদ্ভাবনের সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা।

ভালোভাবে চাষ করা হলে প্রতি একরে ৪৫ মণ ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক। জেলায় এ বছর, ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে আউশের আবাদ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন