সিনহা হত্যার পর ওসি-এসপির ফোনালাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে

0

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার পর, ওসি-এসপির ফোনালাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মামলার অগ্রগতিতে রেকর্ডটি ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আলোচিত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং ইন্সপেক্টর লিয়াকতসহ সাত পুলিশ সদস্যের সাত দিনের রিমান্ড ঘিরে এখন চলছে নানা আলেচনা।

চেকপোস্টের পুলিশ সদস্যরা সিগন্যাল দেয়ার পর, সিনহা নিজেকে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর পরিচয় দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ান। তখন ইন্সপেক্টর লিয়াকত অস্ত্র তাক করাতে দুহাত উপরে উঠিয়ে নিজের অপরাধ জানতে চান মেজর সিনহা। এরপর কোনো কথা ছাড়াই গুলি চালান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত। এমন লোম হর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেন, স্থানীয়রা।

এরপর, ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ সুপারের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন ওসি প্রদীপ। এদিকে, পরবর্তী ফোনে পুলিশ সুপারকে ভিন্ন তথ্য দেন ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত। বলেন, মেজর পরিচয় দেয়া সিনহা অস্ত্র তাক করতেই লিয়াকত গুলি চালিয়ে দেন।

ঘটনার পাঁচ দিন পর পাঁচ আগস্ট রাতে আদালতের নির্দেশে ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে টেকনাফ থানা। এতে এজাহারভুক্ত সবার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি হলে, ছয় আগস্ট একই আদালতে আত্মসমর্পন করেন ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য। বাকি দুজনের বিরুদ্ধে আবারও পরওয়ানা দেয় আদালত। ৩১ জুলাই টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া চেকপোস্টের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

শেয়ার করুন।

উত্তর দিন